banner

শেষ আপডেট ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,  ১৯:৫৯  ||   শনিবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং, ৩ আশ্বিন ১৪২৮

১০ই মহররম ও একটি নিরপেক্ষ গবেষণা প্রয়োজন

১০ই মহররম ও একটি নিরপেক্ষ গবেষণা প্রয়োজন

১৯ অগাস্ট ২০২১ | ১৮:০৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১০ই মহররম ও একটি নিরপেক্ষ গবেষণা প্রয়োজন

মাহবুবুর রহমান ::
আরবী বর্ষের প্রথম মাস মহররম । এই ১০ই মহরম মুসলমি জাতরি জন্য বশিষে গুরুত্বর্পূণ দনি । এই দনিইে কারবালার প্রান্তরে ইসলাম আবার র্পূণরূপ লাভ করছেলি । এই দনিটি বশিষে করে সুন্নী মুসলমিরে জন্য বড় বদেনার আর শোকরে দনি । সে জন্যই মহরম মাসরে ১০ তারিখ বিশ্ব মুসলিমদের জন্য একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ দিবস। এই দিবসটি আশুরা হিসাবে সমধিক পরিচিত।
হযরত আলী(রঃ) সাথে খারেজি সম্প্রাদয়ের তুমুলযুদ্ধ হয়েছিল। খারেজিরা কোন রকমে পালিয়ে গিয়ে বেঁচেছিল। পরে খারেজিরা রূপ বদলে আবদুল ওহাব নজদীর নের্তৃত্বে ওহাবীরূপ ধারণ করে।

ইসলামের তেহাত্তর ফেরকার মধ্যে সবচেয়ে জঘন্যতম ফেরকার গুলো হলো খারেজি, ওহাবী, বাটালভী, চাক্রালভী ও সালাফি সম্প্রদায়। এই পাঁচ সম্প্রদায় ইসলামের যে ক্ষতি করে গেছে ভাষায় প্রকাশ করা খুবই কঠিন।
প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা(স:) বিদায় হজ্বের ভাষণে ১লক্ষ ২০ হাজার সাহাবীর সামনে বলেছিল। তোমরা দুইটি জিনিস শক্তভাবে ধরে রাখো মুসলিম জাতি জীবনেও গুমরা হবে না। এক. আল্লাহ বাণী কোরআন আর দুই. রাসুলের বংশধর অর্থাৎ আহলে বায়েত। সুত্র বোখারী শরীফ।
সেই আহলে বায়েতদের ধরে রাখা দুরের কথা যুগে যুগে উমাইয়া আব্বাসিয়ারা তাদের শহীদ করেছেন। প্রিয় নবী মুহাম্মদ (স:) এর বংশধর আহলে বায়েতের মধ্যে এই দুই রাজবংশ প্রথমে ইমাম হাসান(র:), শহীদে আজম ইমাম হোসাইন(র:), ইমাম আলী আকবর(র:), ইমাম আলী আজগর(র:), ইমাম কাশেম(র:), ইমাম বাকের(র:), ইমাম জাফর সাদেক(র:), ইমাম মুছা কাজিম(র:), ইমাম আলী রেজা(র:), ইমাম আলী তকি(র:), ইমাম আলী নকি(র:), ইমাম হাসান আসকরী(র:) কে শহীদ করেছেন।
এজিদের পিতার নাম মুয়াবিয়া, মুয়াবিয়ার পিতার নাম আবু সুফিয়ান, আবু সুফিয়ানের পিতার নাম উমাইয়া। এজিদ উমাইয়া খেলাফত প্রতিষ্ঠা করেছেন। উল্লেখ্য যে, আবু সুফিয়ান , মুয়াবিয়া ও হিন্দা আমাদরে প্রিয় নবীজির বিরুদ্ধে ২৭টি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিল। জলিল কদরের সাহাবা হয়রত আমির হামজার কলিজা চিবে খেয়েছিল মুয়াবিয়ার মা হিন্দা । অবশ্যই মক্কা বিজয়ের সময় যখন কাফেরদের কতল করা হয়েছিল তখন আবু সুফিয়ান স্ব-পরিবারে কালেমা পড়েন। মক্কা বিজয়ের পর যখন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) মদিনায় চলে গেলেন তখন থেকে আবু সুফিয়ান মুয়াবিয়ারা ক্ষমতায় বসার জন্য নানা ধরণের অপ-কৌশল অবলম্বন করতে থাকে।

মুয়াবিয়া যখন তার পুত্র এজিদকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসালেন তখন থেকে ইসলাম বিরোধী নানা ধরণের কার্যকলাপ শুরু করলেন এজিদ । মুয়াবিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র এজিদ হিজরির ৬০ অব্দে নিজেকে মুসলিম দুনিয়ার খলিফা ঘোষণা করেন। শাসক হিসেবে তিনি ছিলেন স্বেচ্ছাচারী ও অত্যাচারী। এজিদের হাত থেকে ইসলামকে বাঁচানোর জন্য কারবালার হৃদয়বিধারক দৃশ্য।
৬৮০ সালে এদিনে বর্তমানে ইরাকের কারবালা নামক স্থানে বিশ্বনবী, সায়্যিদুল মুরসালিন, খাতেমুন নাবিয়্যিন হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর দৌহিত্র হোসাইন ইবনে আলীকে, যিনি ইমাম হোসাইন নামে সমধিক পরিচিত প্রতিপক্ষ ইয়াজিদ বাহিনী নির্মমভাবে শহীদ করেন।
সেদিন ইমাম হোসাইন(র:) এত গুলো সাহাবীর সামনে চিৎকার করে বলেছিল এখানে কি একজনও মুসলিম নাই ? সেই আহ্বানে হযরত হুর (র:) তার ছেলেসহ মোট ৩৩ জন সাহাবা ইমাম হোসাইনের তাবুতে যোগ দিয়েছিল। আজো ইরাকের কারবালা ময়দানের পাশে হযরত হুর (র:) এর মাজার শরীফ। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ ফুল দিয়ে চোখের অশ্রুতে কারবালার শীদদের স্বরণ করেন।
চলবে …