banner

শেষ আপডেট ৫ মে ২০২১,  ২২:১৯  ||   মঙ্গলবার, ১১ই মে ২০২১ ইং, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮

তুখোড় কবি ও শিল্পী খালিদ আহসান আর নেই

তুখোড় কবি ও শিল্পী খালিদ আহসান আর নেই

২২ মার্চ ২০২১ | ২২:২৮ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • তুখোড় কবি ও শিল্পী খালিদ আহসান আর নেই

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন গত শতকের সত্তর দশকের তুখোড় কবি ও শিল্পী খালিদ আহসান।আজ সোমবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।মৃত্যুকালে কবির বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে নানা ধরনের স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী শিল্পী আইভি হাসান, এক মেয়ে ও অসংখ্য ভক্ত–গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী খালিদ আহসানের মৃত্যুর খবরে চট্টগ্রামসহ সারাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।খালিদ আহসানের মরদেহ বিকালে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে নেয়া হবে। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষ চেরাগি পাহাড়ে তাকে শ্রদ্ধা জানাবেন।

জানা গেছে, করোনায় আক্রান্ত খালিদ আহসানকে প্রথমে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থানার অবনতি হলে ঢাকায় বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এক মাসেরও বেশি সময় তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

খালিদ আহসানের জন্ম ১৯৫৭ সালের ৬ নভেম্বর। তিনি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল, চট্টগ্রাম কলেজ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। স্কুলজীবনেই তিনি লেখালেখি শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশের সত্তর দশকের অন্যতম কবি। তার আটটি কাব্যগ্রন্থ। ‘শীতের কফিন থেকে উত্সারিত মানিপ্ল্যান্ট’ (২০০১), ‘মন্দলোক ও কাঠের ঘোড়া’ (২০০৪), ‘তোমাকে পানকৌড়িকে’ (২০০৮), ‘এনেসথেসিয়া’ (২০১০), ‘পৃথিবীর শিরা-উপশিরা’ (২০১২), ‘কলম লিখেছে কবিতা আমি তার প্রথম শ্রোতা’ (২০১৪), ‘বর্ণ, চক্ষু, অন্তঃকরণ’ (২০১৪), ‘ঝিঁঝিঁর কনসার্ট’ (২০১৯)।

লেখালেখির পাশাপাশি খালিদ আহসান ছবি আঁকায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। আশির দশকে তিনি বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পে এক নতুন ধারার সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, শহীদ কাদরী, হুমায়ুন আহমেদ, নির্মলেন্দু গুণ, হুমায়ুন আজাদ, সিকদার আমিনুল হকসহ বহু খ্যাতিমান কবি–সাহিত্যিকের বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন।