banner

শেষ আপডেট ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,  ১৯:৫৯  ||   শনিবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং, ৩ আশ্বিন ১৪২৮

বঙ্গমাতা ফিল্ড হাসপাতাল কমপক্ষে আরো ৬ মাস চালু থাকবে

বঙ্গমাতা ফিল্ড হাসপাতাল কমপক্ষে আরো ৬ মাস চালু থাকবে

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৭:৪২ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • বঙ্গমাতা ফিল্ড হাসপাতাল কমপক্ষে আরো ৬ মাস চালু থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে হার কমলেও স্বস্তির কারণ নেই। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনার সংক্রমণের হার কমার পর পুনরায় নতুন রূপে নতুন ভ্যারিয়েন্টে এই ভাইরাসের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে এই ভাইরাসের সক্রমণের হার হ্রাস পেলেও আবারো বাড়তে পারে। আর যাতে না বাড়ে সেজন্য অবশ্যই মাস্ক পড়তে হবে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে, ভ্যাকসিন নিতে হবে এবং বিদেশ থেকে যারা আসে তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

উপাচার্য বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সকল রোগী ২ সপ্তাহেই সুস্থ হয় না। আরোগ্য হতে কোনো কোনো রোগীর দীর্ঘ সময় লেগে যায়। আবার করোনা নেগেটিভ হওয়ার পরও রোগীদের যেসকল জটিলতা সমূহ দেখা যায় তা থেকে মুক্তি পেতে দীর্ঘমেয়াদী ফলোআপ চিকিৎসার আওতায় থাকা প্রয়োজন। বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে আরো ৬ মাস পর্যবেক্ষণ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কোভিড ফিল্ড হাসপাতালে বর্তমানে ৫০ জনেরও বেশি রোগী এবং কেবিন ব্লকের করোনা সেন্টারে শতাধিক রোগী ভর্তি আছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল কমপক্ষে আরো ৬ মাস চালু রাখা হবে এবং তারপর করোনা পরিস্থিতির বিষয়টি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং তারিখে উপাচার্য মহোদয় তাঁর কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া অর্থ বরাদ্দ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, এটা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য উদাহরণ। তিনি মমতাময়ী ও মানবতার সেবক জননেত্রী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন তার সদ্ব্যবহার করতে হবে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ভ্যাকসিন কর্মসূচীর আওতায় নিয়ে আসতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে কোনো প্রকারে শৈথিল্য দেখানো যাবে না।

উপাচার্য বলেন, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার দিক দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় দেশ সেরা। করোনা মহামারীর মধ্যে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় খোলা ছিল এবং বর্তমানেও খোলা রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার কার্যক্রম চালু রয়েছে। তিনি আরো বলেন, করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসাসেবাসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় দেশে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা প্রদান, ভ্যাকসিন কার্যক্রম, করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণ টেস্ট কার্যক্রম, করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি অনান্য রোগীদের প্রয়োজনীয় অপারেশনসহ চিকিৎসাসেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে আজ সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ইং তারিখে বিএমআরসি উদ্যোগে ন্যাশনাল হেলথ রিসার্চ স্ট্রাটেজি ডিসেমিনেশন বিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিএমআরসি এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ।

এই সময় শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামানসহ সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।