banner

শেষ আপডেট ২৩ নভেম্বর ২০২০,  ২২:১২  ||   বৃহষ্পতিবার, ২৬ই নভেম্বর ২০২০ ইং, ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, ভয়কে জয় করতে হবে—ডা. শাহাদাত

শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, ভয়কে জয় করতে হবে—ডা. শাহাদাত

২৬ অক্টোবর ২০২০ | ১৯:৩৯ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, ভয়কে জয় করতে হবে—ডা. শাহাদাত

আওয়ামীলীগ দেশে এক দলীয় শাসন চালাচ্ছে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, সাম্য, মানবাধিকার আজ বিপন্ন। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগ কিন্তু সেখানেও বিচার প্রার্থীরা ন্যায় বিচার পাচ্ছে না। বিএনপির হাজার হাজার নেতা কর্মীরা মিথ্যা ও গায়েবী মামলায় জর্জরিত। শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। ভয়কে জয় করতে হবে।আজ ২৬ অক্টোবর সোমবার বিকালে রেলওয়ে কলোনী মাঠে ১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্থগিত মেয়র নির্বাচনে ভোট ডাকাতদের পাহারা দিতে হবে। জুলুম নির্যাতন অনেক হয়েছে। এবার সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।দেশের সব শ্রেণী ও পেশার মানুষ নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত। সাংবাদিক, পেশাজীবি, সাধারণ মানুষ কেহই এ সরকারের ছোবল থেকে রেহাই পায় নাই। এ সরকার একটি ফ্যাসিবাদী সরকার। সরকারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আজ দুনীর্তিগ্রস্ত। এ সরকারের দুর্নীতির কারণে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ একটি দুর্নীতি পরায়ন ও দু:শাসনের দেশে পরিণত হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ নিদারুন কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ আজ হাহাকার করছে। বাজার মনিটরিংয়ে সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দেশ এখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। চারদিকে ধর্ষণ, লুটপাট, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে দেশের মানুষ দিশেহারা। দেশের মানুষের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। এদেশের জনগণের অধিকার, ভোটের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার ফিরিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে হবে। আজকে কেউ কথা বলতে পারে না, কেউ লিখতে পারে না। সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারবে না। আজকে আমাদের মতবিনিময় সভায় পুলিশ বাঁধা দিচ্ছে। বিএনপির সভা সমাবেশ দেখলে সরকারী দলের মাথা নষ্ট হয়ে যায়। এরা এখন সম্পূর্ণভাবে একটি কর্তৃত্ববাদী সরকারে পরিণত হয়েছে। এক নায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে।
১৩ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুজ জাহেদ মাস্টারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উৃপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এস কে খোদা তোতন, শফিকুর রহমান স্বপন, যুগ্ম সম্পাদক কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল হালিম শাহ আলম, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, কান্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গির আলম দুলাল, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, আরো বক্তব্য রাখেন রেলওয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমিক নেতা এম আর মঞ্জু, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী সখিনা বেগম, বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান, তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, আসাদুজ্জামান দিদার, আবদুল হালিম পিন্টু, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক মো. হেলাল হোসেন, তানভীর মানিক, আবদুল আউয়াল টিপু, আবুল কালাম, গোলজার হোসেন মিন্টু, ডা. শরীফ, শাহ আলম, দিলীপ, গোফরান, আমজাদ, রিদোয়ান বারী, এবায়দুল্লাহ, শামীম চৌধুরী, বাদশা, জাহাঙ্গির, হাবিবুল ইসলাম, আশিক মল্লিাক, ইউনুস মুন্না, মিল্টন, দেলোয়ার, হোসেন, জাবেদ, আবদুর রহমান, জসিম, এন আই চৌধুরী, মো. সরওয়ার, আলিম উদ্দিন গুড্ডু, আকতার হোসেন, মাহবুব খালেদ, নুর আলম, জুয়েল, রিফাত হোসেন সাকিল, সামশুদ্দিন সামশু, ইসমাইল রকি প্রমুখ।