banner

শেষ আপডেট ২৫ অক্টোবর ২০২০,  ১০:১৪  ||   রবিবার, ২৫ই অক্টোবর ২০২০ ইং, ১০ কার্তিক ১৪২৭

চান্দগাঁও থানা এলাকায় জোড়া খুনের মূল আসামী ফারুক বিদেশী পিস্তলসহ আটক

চান্দগাঁও থানা এলাকায় জোড়া খুনের মূল আসামী ফারুক বিদেশী পিস্তলসহ আটক

১ অক্টোবর ২০২০ | ২১:২৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • চান্দগাঁও থানা এলাকায় জোড়া খুনের মূল আসামী ফারুক বিদেশী পিস্তলসহ আটক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় গত ২৪ আগস্ট সংঘটিত সারাদেশে চাঞ্চল্য সৃষ্টকারী জোড়া খুনের ঘটনার সম্ভাব্য একমাত্র ঘাতক আসামি ফারুক’কে আটক করেছে র‍্যাব-৭।

গত ২৪ আগস্ট নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন পাঠানিয়া গোদা এলাকায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার স্বীকার হয় গুলনাহার বেগম (৩৩) ও তার ৯ বছরের শিশু পুত্র রিফাত।

পরবর্তীতে সন্ধ্যায় মৃতের মেয়ে পোশাক শ্রমিক ময়ূরী আক্তার (১৯) গার্মেন্টস থেকে এসে বাথরুমে মায়ের মৃতদেহ ও রান্না ঘরে ভাইয়ের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে এবং র‌্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃংখলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

উক্ত জোড়া খুনের ঘটনা দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে ভিকটিম এর মেয়ে ময়ূরী আক্তার বাদী হয়ে চান্দগাঁও থানায় আসামী মোঃ ফারুক (৩৩),সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন এর বিরুদ্ধে ১ টি হত্যা মামলা দায়ের করে। হত্যা কান্ডের পর হতেই ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-৭ ছায়াতদন্ত শুরু করে এক পর্যায়ে র‌্যাব-৭ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হত্যা কান্ডের  প্রধান আসামী  খুনী মোঃ ফারুকে নগরীর আকবরশাহ থানাধীন পাক্কার মাথা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে আজ ১ অক্টোবর র‌্যাব-৭ এর একটি চৌকশ দল উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।

উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে আসামীর দেহ তল্লাশী করে তার হেফাজত থেকে ১ টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি এবং ১ টি ছুরি উদ্ধার করে।

আসামী ফারুককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে জোড়া খুনের কথা স্বীকার করে।

জিজ্ঞাসাবাদে সে আরো স্বীকার করে যে, বিভিন্ন বিষয়ে ঝগড়া ঝাটি থেকে একপর্যায়ে ক্ষুব্দ হয়ে সে তার পাতানো বোন গুলনাহারকে হত্যা করে। হত্যার বিষয়টি ভিকটিমের ৯ বছরের ছেলে রিফাত দেখে ফেলায় তাকেও নৃশংস হত্যা করে খুনী ফারুক। ঘটনার সাথে আর কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছে র‌্যাব।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে নগরীর চান্দগাঁও থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।