banner

শেষ আপডেট ১২ অগাস্ট ২০২০,  ২৩:৪০  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৩ই আগষ্ট ২০২০ ইং, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭

প্রাত্যহিক জীবনযাপন ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রনহীনতা কাম্য নয়—মেয়র

প্রাত্যহিক জীবনযাপন ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রনহীনতা কাম্য নয়—মেয়র

১২ জুলাই ২০২০ | ২০:০৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রাত্যহিক জীবনযাপন ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রনহীনতা কাম্য নয়—মেয়র
ক্রাইম প্রতিবেদক :  করোনা সংক্রমণের হার উর্ধমুখী না নিম্নমুখী তা বিবেচ্য বিষয় নয়। করোনাভাইরাস জীবাণুটি জীবন্ত এবং বার বার চরিত্র ও রূপ পাল্টাচ্ছে। তাই যতদিন পর্যন্ত স্থায়ী প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন আবিস্কার না হচ্ছে ততদিন সংক্রণের থাবা থাকবে। এই ভাইরাসের আয়ুস্কাল কতদিন তাও নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না।আজ রবিবার ১২ জুলাই সকালে নগরীর ৯ নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে কাউন্সিলর কার্যালয়ে বস্তি উন্নয়ন দরিদ্রহ্রাস কর্মসূচী প্রকল্প ‘প্র্যাপ’ এর আওতায় চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এলাকায় কোভিড-১৯ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সামজিক দুরত্ব ও সচেতনতার ক্ষেত্রে সামান্যতম ঢিলেমি ও উদাসীনতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা হয়ে উঠবে। এজন্য শুধু করোনা নয়, প্রাত্যহিক জীবনযাপন ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রনহীনতা কাম্য নয়। শিষ্ঠাচার বিরুদ্ধ উচ্ছৃংখলতা আরো বড় ধরণের রোগ-বালাই-মুছিবত-বিপর্যয়কে ডেকে আনবে। তাই মনে রাখতে হবে যে কোন পরিস্থিতিতে সচেতনতা ও সাবধানতার মার নেই।
সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৯নং ওর্য়াড কাউন্সিলর আলহাজ্ব জহুরুল আলম জসিম।
মেয়র আ জ ম নাছির বলেন, এখানের পরিবেশ সাধারণত গিঞ্জি ও অস্বাস্থ্যকর। মশা-মাছির উপদ্রব ছাড়াও নেই মান সম্পন্ন স্যানিটারী ব্যবস্থা। সুপেয় ও ব্যবহার্য পানির ব্যবস্থাও অপ্রতুল। পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা নেই এবং যত্রতত্র আবর্জনার ভাড়াগ পড়ে থাকে। একারণে এখানে জীবাণু কিলবিল করে এবং রোগবালাই তো লেগেই থাকে। তাই করোনাকালে এখানকার পরিস্থিতি শোচনীয় হবারই কথা। তবে করোনা শুধু বস্তী নয়, অভিজাত আবাসিক এলাকাসহ ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের জন্য সমান বিপজ্জনক। আসলে গরীবের আল্লাহর রহমত থাকেই বলেই তিনিই তাদের রক্ষা করেন। কিন্তু কারও এমনটি ভাবা উচিত নয়, যারা এসি রুমে থাকেন টাকা-পয়সা ওয়ালা বড়লোক এবং আলিশান বাড়ীতে বাস করেন, করোনা তাদেরকেই ঘায়েল করবে।
মেয়র বলেন, করোনাকালে সবখানেই হতদরিদ্রের সংখ্যা বেড়েছে। যারা দিনে এনে দিনে খায় তারা কর্মহীন হয়ে পড়ছে। তাদের স্বাভাবিক জীবন এমনিতেই দুর্বিষহ। বর্তমানে তারা ক্ষুধায় কাতর ঘরে বন্দী থাকলে অন্ন জোটে না। তাই জীবিকাটাই এখন বড়। তাই জীবনের সুরক্ষা নিয়েই জীবিকার জন্য লড়াইয়ে সরকার দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে আছে এবং থাকবে।
এসময় সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, সাবেক কাউন্সিলর ও ওর্য়াড আওয়ামী লীগের আহবায়ক এস.এম.আলমগীর, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়, সিনিয়র বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জিৎ কুমার দাশ, মোস্তফা কামাল বাচ্চু, শফিকুল আলম ওয়াসিম, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, মোহাম্মদ মুমিন, মোঃ দুলাল, মোঃ ফারুক শেখ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।