banner

শেষ আপডেট ১২ অগাস্ট ২০২০,  ২৩:৪০  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৩ই আগষ্ট ২০২০ ইং, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭

“ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করনে গণমাধ্যমের করনীয়” শীর্ষক আলোচনা অনুস্টিত

“ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করনে গণমাধ্যমের করনীয়” শীর্ষক আলোচনা অনুস্টিত

৬ জুলাই ২০২০ | ২০:২৪ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • “ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করনে গণমাধ্যমের করনীয়” শীর্ষক আলোচনা অনুস্টিত

 

দি ক্রাইম ডেস্ক : ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর কর্তৃক আয়োজিত একটি অনলাইন ভিত্তিক লাইভ;করোনা সংলাপ পর্ব-১৯, “ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করনে গণমাধ্যমের করনীয়” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান গতকাল ৫ জুলাই রবিবার রাত ৯টায় পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মীর মাসরুর জামান,সিনিয়র বার্তাসম্পাদক,চ্যানেল আই, ডা: ফাহিম আহমাদ,প্রিভেন্টটিভ মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ এবং নিবার্হী সম্পাদক স্বাস্থ্য টিভি ও সম্পাদক স্বাস্থ্য পাতা দৈনিক যুগান্তর।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শারমিন রহমান সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর।

মীর মাসরুর জামান বলেন , ই-সিগারেট মানবদেহের ফুসফুস ক্যান্সার ছাড়াও অন্যান্য গুরত্বপূর্ন অঙ্গেও ক্ষতি করে থাকে যা বিবেচ্য বিষয়।

তিনি আরো বলেন,  তামাক কোম্পানীগুলো সিএসআর এর নামে নিজের প্রতিষ্ঠানের প্রচাররের জন্য লোক চোক্ষুর অন্তরালে নানা প্রবাকান্ডা পরিচালনা করে থাকে। অনেক সময় মিডিয়া বুঝে না বুঝে তাদের এ সকল প্রবাকান্ডার প্রচার করে থাকে যে বিষয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে।ই-সিগারেট ছদ্দ আবরনের একটি তামাক পণ্য এর ক্ষতিকর দিক সর্ম্পকে মিডিয়ার মাধ্যমে তুলে ধরে সকলকে সচেতন করতে হবে। গণমাধ্যমের কাজ হচ্ছে সমাজের ভালো দিকটাকে তুলে ধরা ও খারাপটাকে গ্রহনে নিরুৎসাহিত করনে সকলকে সচেতন করা।আশা করি এ বিষয়ে সকল গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণ তামাকজাত দ্রব্যসহ অন্যান্য সকল ক্ষতিকর দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রচারসহ অন্যান্য সকল কর্মকান্ডে সমপৃত্ব হওয়ার বিষয়ে সচেতনা অবলম্বন করতে হবে।

ডা: ফাহিম আহমাদ বলেন, ই-সিগারেটে ৭ হাজার রাসায়নিক দ্রব্য রয়েছে যার মধ্যে সরাসরি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ক্ষতিকর ৭0টি রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি রয়েছে।অনেকের মধ্যে ভুল ধারনা রয়েছে ই-সিগারেট এর স্বাস্থ্য ক্ষতি পরিমান কম বা হয়না আমাদের জানতে হবে নিকোটিন ব্যতিত কোন তামাক পণ্য হয় না তাই ই-সিগারেটে নিকোটিনতো রয়েছেই এছাড়া আরো অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যের মিশ্রণ রয়েছে যা মানব দেহের জন্য আরো বেশী মারত্বক ক্ষতিকর।ধূমপানকে মাদকদ্রব্য গ্রহনের গেটওয়ে বা দরজা বলা  হয়।একজন যুবকের ধূমপান থেকেই মাদক গ্রহনের হাতেখড়ি হয়ে থাকে।মানোনীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদক বিরোধি জিরোটলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে গেলে মাদকের পূর্বে ই-সিগারেটসহ সকল প্রকার তামাক জাত দ্রবের উৎপাদন ও বিপনন বন্ধ করতে হবে।

উপস্থিত সকল সাংবাদিকগণ বিশ্বাস করেন ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা সম্ভব হবে যদি না সকল মিডিয়া একযোগে কাজকরে। তাই দেশের যুব সমাজকে রক্ষার্থে গণমাধ্যম,সরকার ও জনসাধারনকে একযোগে কাজ করতে হবে।

জাতীয় পর্যায়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বিশেষ ভূমিকা পালন করার জন্য সমপ্রতি ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টর বিশ্ব সংস্থা কর্তৃক স্পোশাল রিকোগনেশন এ্যাওর্য়াড অর্জন করেন।