banner

শেষ আপডেট ৬ জুলাই ২০২০,  ২২:৪১  ||   মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই ২০২০ ইং, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭

ভোগ্য পণ্যের বাজারে কমিশন ব্যবসার নামে অবৈধ ব্যবসা বন্ধের দাবি -ক্যাব

ভোগ্য পণ্যের বাজারে কমিশন ব্যবসার নামে অবৈধ ব্যবসা বন্ধের দাবি -ক্যাব

২৩ এপ্রিল ২০২০ | ১৪:০৬ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ভোগ্য পণ্যের বাজারে কমিশন ব্যবসার নামে অবৈধ ব্যবসা বন্ধের দাবি -ক্যাব
 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ করোনা ভাইরাসের আক্রমনে পুরো দেশ স্থবির হলেও অসাধু ব্যবসায়ী ও মুনাফা শিকারীদের তৎপরতা থামেনি। পবিত্র রমজানে ব্যবহার্য পেয়াজ,আদা,রসুন, ডাল, সবজি ও চালের বাজার আকাশচুম্বি। রমজান ও যে কোন সংকটকালীন সময়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান কালে দেখা যায় একশ্রেণীর ব্যবসায়ী আমদানিকারক, আতদার ও পাইকারের কমিশন এজেন্ট দাবি করে পচনশীল ভোগ্যপণ্য ও সবজি বিক্রি করলেও তারা বিক্রির সময় ক্রয় রসিদ প্রদর্শন না করে দামটি ফোনে ফোনে নির্দেশিত হয়ে বিক্রি করে বলেন দাবি করেন। কিন্তু যে কোন পণ্য বা সেবা বিক্রি করলে বিক্রয় রশিদ বাধ্যতামুলক হলেও তারা প্রকৃত মূল্যটি আড়াল করে বাজার মূল্যে পণ্য বিক্রি করার কথা বলে জনগনের পকেট কাটার অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে ভ্রাম্যমান আদালতকে বোকা বানানোর অপপ্রয়াস বলে দাবি করে অবিলম্বে এ ধরনের কমিশন এজেন্ট ব্যবসা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জানিয়েছেন দেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষনকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগ ও মহানগর কমিটি।

গত ২২ এপ্রিল ঢাকার শ্যামবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের বাজার অভিযান চলাকালে ফয়সাল এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে আদার মূল্য তদারকিতে জানা যায়, আদার আমদানি মূল্য ৯৭-৯৮ টাকা হলেও তারা ২৪৫ টাকায় বিক্রি করছে। অথচ আমদানীকারক তাদের কাছে বিক্রি রশিদ না দিয়ে চালান পাঠিয়ে দেন। প্রকৃত মূল্য আড়াল করার জন্য তারা প্রকৃত রশিদ না দেখিয়ে ফোনে পণ্য বিক্রয় মূল্য জানাচ্ছে। আর খুচরা বিক্রেতারা একসময় কমিশন এজেন্ট, একসময় আড়তদার বলে দাবি করে ব্যবসা করছে। যা দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পুরোটাই অবৈধ। পেয়াজ, আদা, রসুন, মসলাজাতীয় পণ্য ও সবজি ক্রয়-বিক্রয়ে এ ধরণের কমিশন এজেন্ট ব্যবসা চালিয়ে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্ঠি করছে। এ ধরনের কমিশন এজেন্ট ব্যবসা বন্ধ না হলে বাজারে অস্থিরতা, অর্থ পাচার, মানি লন্ডারিংসহ নানা অপকর্ম সম্পাদিত হচ্ছে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বাজারে পচনশীল এ সমস্ত পণ্যের বাজার মূল্য বলে পণ্য বিক্রির কথা বলে সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে আমদানির প্রকৃত তথ্য গোপন করে ক্রেতাদের বিপুল অর্থ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে যাচ্ছে। বানিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন থেকে মূল্য তালিকা ও ক্রয় রশিদ প্রদর্শনের নির্দেশনা দেয় হলেও তারা বিভিন্ন ছলচাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছেন। আর প্রকৃত ক্রয় রশিদ, আমদানির বৈধ কাগজপত্র(এলসি) ছাড়া ব্যবসা করার অর্থ হলো অর্থ পাচার ও অবৈধ ব্যবসা। তাই এ ধরনের অবৈধ ব্যবসা বন্ধে কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণের দাবি জানান।

উল্লেখ্য সরকার একসময়ের জনপ্রিয় অবৈধ ডিও ব্যবসা বন্ধ করে পরিবেশক প্রথা চালু করেন। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ফাকঁফোকর বের হবার ভয়ে এ ধরনের ব্যবসায় আগ্রহী না হয়ে কমিশন ব্যবসার মতো অন্ধকার ব্যবসায় ঝুুঁকে আছে।

বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন তারা হলেন- ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম ও দক্ষিন জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান প্রমুখ।