banner

শেষ আপডেট ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০,  ২১:৪১  ||   মঙ্গলবার, ২৯ই সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭

সরকারের নির্দেশ মানছেনা চকরিয়া ও ফাইতংয়ের ৩৫ টি ইটভাটা: করোনা ঝুঁকিতে কাজ করছে ১০ হাজার শ্রমিক

সরকারের নির্দেশ মানছেনা চকরিয়া ও ফাইতংয়ের ৩৫ টি ইটভাটা: করোনা ঝুঁকিতে কাজ করছে ১০ হাজার শ্রমিক

৩১ মার্চ ২০২০ | ২১:০৭ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সরকারের নির্দেশ মানছেনা চকরিয়া ও ফাইতংয়ের ৩৫ টি ইটভাটা: করোনা ঝুঁকিতে কাজ করছে ১০ হাজার শ্রমিক

বশির আলমামুন : কক্সবাজারের চকরিয়ায় ও বান্দরবনের লামায় অন্তত ৩৫ টি ইট ভাটার মালিকেরা করোনা ঝুঁকির সরকারী নির্দেশনা মানছেনা না বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব ইট ভাটায় বর্তমানে কম করে হলেও ১০ হাজার শ্রমিক দিন-রাত কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ফলে এসব এলাকা করোনার অত্যধিক ঝঁকিতে আছে বলে জাানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী নেতারা। সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে শ্রমিকদের দিয়ে প্রতিদিন ইটভাটা গুলোতে কাজ করাচ্ছেন মালিকেরা। এতে এক একটি ভাটায় অধিক সংখ্যক শ্রমিক গাদাগাদি করে কাজ করার কারনে যে কোন মুহুর্তে করোনা ভাইরাস ছড়াতে পারে বলে আশংকা করছেন স্থানীয়রা। এমনকি আশপাশের এলাকা ও বর্তমানে ঝুকির মধ্যে পড়েছে।
জানা গেছে, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় ও বন্দরবনের লামা উপজেলায় প্রায় ৩৫ টির মত ইট ভাটা রয়েছে। চকরিয়ার হারবাং , ফাঁসিয়াখালি, মানিকপুর এলাকায় রয়েছে ৮ টি ইট ভাটা। অপরদিকে লামা উপজেলার ফাঁইতং, ইয়াংছা, বগাঁছড়ি, হারগেজা, ছাগলখাইয়া, গজালিয়া এলাকায় রয়েছে ২৭ টি ইট ভাটা । তার মধ্যে প্রায় ২৩ টির মত ইটভাটা স্থাপিত হয়েছে শুধুমাত্র ফাইতং এলাকায়। এসব ভাটায় বর্তমানেও কাজ করছে প্রায় ১০ হাজারের মত শ্রমিক। সারা দেশে করোনার কারনে সবকিছু বন্ধ থাকলেও তারা এখনো জানেনা বন্ধের বিষয়টি। তাদের কোন বন্ধ নাই, দিন-রাত কাজ করছে ভাটায়। ফলে এক সঙ্গে অনেক শ্রমিক কাজ করতে গিয়ে এসব এলাকা করোনা ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। তাছাড়া লামার ফাইতং এলাকাটি অত্যন্ত জনবহুল চকরিয়ায়ার সন্নিকটে। ফলে চকরিয়া ও করোনা ঝঁকির মধ্যে পড়তে পারে বলে অনেকের অভিমত।
উল্লেখ্য বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারী রূপ ধারণ করায় বাংলাদেশে এ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে গত ২৬ মার্চ হতে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালত, ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, গণপরিবহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসময় সরকারি তথ্য সেবা নম্বর ৩৩৩-এ ফোন করলে যে কেউ জেলা প্রশাসন থেকে এ সহায়তা পাবেন এমন ঘোষনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এরপর ও এসব এলাকার ইট ভাটা মালিকরা সেই নির্দেশনা মানছেননা। শ্রমিক দিয়ে কাজ করিয়ে ভাটায় ইট উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে।
তাই করোনার বিস্তার প্রতিরোধে জনস্বার্থে এসব এলাকায় প্রশাসনের নজরদারী বৃদ্ধি করা দরকার বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন পরিবেশবাদী সচেতন মহল।