banner

শেষ আপডেট ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০,  ২১:৪১  ||   মঙ্গলবার, ২৯ই সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭

নিজের ঘর কিছুটা পুড়িয়ে বিশ্ব কে জ্বালিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত নয় তো?

নিজের ঘর কিছুটা পুড়িয়ে বিশ্ব কে জ্বালিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত নয় তো?

২১ মার্চ ২০২০ | ২১:৩৬ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • নিজের ঘর কিছুটা পুড়িয়ে বিশ্ব কে জ্বালিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত নয় তো?
বিশ্বটাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে নাচাতে চাচ্ছে নাতো চীন ? এখনই উচিত গোটা বিশ্বের এক হওয়া, চীনকে বিশ্ব জুড়ে বয়কট করা, বিশ্বের সমস্ত দেশের আর্থিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ উসুল করা।যে সব তৃতীয় বিশ্বের দেশ এই মারাত্মক ভাইরাস এ আক্রান্ত হবে তার সকল দায়ভার চীনের উপর চাপানো।দরকারে বিদেশে থাকা চীনের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিপূরণ মেটানো উচিত।বিশ্ব জুড়ে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য শুধু মাত্র চীন দায়ী।জবাবদিহি চীনকে করতেই হবে।শুধু ভয় একটাই বিশ্বের মেরুদন্ডটা যেন ততদিনে ভেঙ্গে না যায় l
চীন খুব দ্রুত করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাচ্ছে।একের পর এক অস্থায়ী হাসপাতাল বন্ধ করছে।উহানে নতুন করে মাত্র একজনের সংক্রমণ ঘটেছে।গোটা চিনে মাত্র১৩ জন.. বেশ অবাক লাগছে না ভাবতে? মনে হচ্ছে না এটা কি ভাবে সম্ভব?
আর একটু অবাক হবেন এটা জানলে একের পর এক বিদেশী মিডিয়া ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউ ইয়র্ক টাইমস, দি গার্ডিয়ান আরো অনেক দেশের মিডিয়া কে দেশ থেকে বার করে দিচ্ছে যাতে তারা চীনের কোনো খবরই প্রকাশ না করতে পারে।
অন্যদিকে ইতালি, ব্রিটেন, ফ্রান্স, আমেরিকা, ইরান ক্রমশঃ ভয়াবহ স্টেজ এ পৌঁছাচ্ছে।আমেরিকার, ইউরোপের স্টক মার্কেট ও ক্র্যাশ করে গেছে।বিশ্ব জুড়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি অথচ একটু চাইনিজ মিডিয়া দেখুন। করুন দেখবেন কি দারুন দৃশ্য! সবাই মাস্ক খুলে ফেলছে, একে অপরকে জড়িয়ে ধরছে, হিরো দের মতো ওয়েলকাম হচ্ছে সবার।বেশ অবাক লাগছে না দেখে?
এত বড়ো ক্রাইসিস অথচ এত ফাস্ট রিকভারি? শেয়ার মার্কেট থেকে কার্রেনসি ড্রপ কোনো কিছুতেই আঘাত লাগলো না।এতোই উন্নত ষোলো খানা হাসপাতাল রাতারাতি তৈরী হয়ে গেলো,আপনি বিশ্বাস করেন এসবের জন্য কোনো প্রিপারেশন ছিলো না তাদের কাছে? করোনা ভাইরাস ইনফেক্টেড থেকে 0 ইনফেক্টেড।সব হাসপাতাল রাতারাতি উবে গেলো।সবাই আনন্দে মাতোয়ারা।প্রেসিডেন্ট কি সুন্দর মৌনব্রত পালন করলো।
পুরো যেন সিনেমার মতো সাজানো।সন্দেহ জাগে সবটা সত্যি সাজানো নয় তো? নিজের ঘর কিছুটা পুড়িয়ে বিশ্ব কে জ্বালিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত নয় তো? বিশ্বকে ভয়ানক বিপদের মুখে ঠেলে দিয়ে নিজে অধীশ্বর হবার চক্রান্ত নয় তো?
রামায়নে পড়েছি  লংকা  গিয়ে হনুমান নিজের ল্যাজে আগুন লাগিয়ে ছিলো। উহান হনুমানের ল্যাজের মতো ব্যবহার হলো না তো?
যদি চীনা দের লাইফ স্টাইল বা খাদ্যাভ্যাস দেখা যায় তাহলে বোঝা যায় খুব সহজেই যে তারা কতটা নিষ্ঠুর, কতটা হিংস্র, তারা পারে না এমন কোনো কাজ নেই।যদি সত্যিই বিশ্বের অধীশ্বর হবার জন্য এই ভাইরাসকে চীন হাতিয়ার করে থাকে তাহলে অবাক হবার কিছু থাকবে না। সত্যিটা হয়তো খুব তাড়াতাড়ি বেরোবে,কিন্তু তখন বিশ্বের মেরুদন্ড থাকবে তো চীনের সামনে দাঁড়ানোর জন্য?