banner

শেষ আপডেট ২১ জানুয়ারী ২০২০,  ২১:৪৫  ||   বুধবার, ২২ই জানুয়ারী ২০২০ ইং, ৯ মাঘ ১৪২৬

সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি ওএসডি রাখার বিধান অবৈধ —হাইকোর্ট

সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি ওএসডি রাখার বিধান অবৈধ —হাইকোর্ট

৮ জানুয়ারী ২০২০ | ২২:২৫ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি ওএসডি রাখার বিধান অবৈধ —হাইকোর্ট

ঢাকা অফিসঃ কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি সময় ধরে ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করে রাখা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ বুধবার বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে ১৫০ দিনের বেশি ওএসডি রাখার বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে যারা উল্লেখিত দিনের বেশি সময় ধরে ওএসডি আছেন, তাদের স্বপদে পুনর্বহালসহ তাদের ক্ষেত্রে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে একটি সার্টিফায়েড প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ ছাড়া একজন সিনিয়র সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনীক আর হক। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।

গত ২০১২ সালে ওএসডির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট করেন সাবেক সচিব এম আসাফউদ্দৌলাহ।

রিটে বলা হয়, ১৯৯১ সালের ৩ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে সর্বনিম্ন ৪৫ এবং সর্বোচ্চ ১৫০ দিন ওএসডি করে রাখার বিধান রয়েছে। কিন্তু, বর্তমানে এর ব্যতিক্রম হচ্ছে। তাই ওএসডির বিষয়ে আদালতের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত চাওয়া হয়েছে।

রিটের শুনানি নিয়ে একই বছরের ৪ জুন বিধি লঙ্ঘন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ওএসডি করে রাখার প্রবণতা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১০ বছরে ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা কর্মকর্তাদের খতিয়ান চেয়েছিলেন হাইকোর্ট।

 

পরে গত ২০১৯ সালের ১৩ মে ৯ বছরের একটি প্রতিবেদন দাখিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, সে পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০৫ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে। তাদের পেছনে রাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ১৫০ কোটি ৯১ লাখ ৫৮ হাজার ৭ টাকা।