banner

শেষ আপডেট ২৭ জানুয়ারী ২০২০,  ২০:৫৫  ||   সোমবার, ২৭ই জানুয়ারী ২০২০ ইং, ১৪ মাঘ ১৪২৬

কেএসআরএম-আইএবি’র সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর, সূচনা হলো সেরা থিসিস অ্যাওয়ার্ড

কেএসআরএম-আইএবি’র সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর, সূচনা হলো সেরা থিসিস অ্যাওয়ার্ড

৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২০:৩২ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • কেএসআরএম-আইএবি’র সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর, সূচনা হলো সেরা থিসিস অ্যাওয়ার্ড

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ কেএসআরএম ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশের (আইএবি) মধ্যে ১০ বছর মেয়াদী সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। সম্প্রতি আইএবি সেন্টারে এ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ স্থপতিদের জন্য ‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস্: বেস্ট আন্ডারগ্রাজুয়েট থিসিস’ নামে একটি অ্যাওয়ার্ড চালু করা হবে। এর মাধ্যমে মেধাবী স্থাপত্য শিল্প বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের পেশাগত জীবন শুরুর আগেই নিজেদের প্রতিভা প্রমাণ করার সুযোগ পাবে। এমন মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরোয়ার জাহান ও আইএবির সভাপতি স্থপতি জালাল আহমদ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন  কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান, ব্র্যান্ড বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মনিরুজ্জামান রিয়াদ, সিনিয়র কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান ও প্রোগ্রাম সমন্ময়ক স্থপতি আরেফিন ইব্রাহিম প্রমুখ।
এই কর্মসূচীর মাধ্যমে কেএসআরএম ও আইএবি যৌথভাবে ভবিষ্যৎ স্থপতিদের জন্য কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড চালু করবে। এ লক্ষে আইএবি স্বীকৃত স্থাপত্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতক পর্যায়ের শেষ বর্ষের ছাত্রদের সেরা গবেষণাপত্র (থিসিস) বা প্রকল্পের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। সম্মাননা জানানো হবে স্টুডিও শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বাধিক মানসম্পন্ন ৩টি প্রকল্প জমা দেওয়া যাবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রকল্পসমূহ প্রদর্শন করা হবে।

এ প্রসঙ্গে কেএসআরএম লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারোয়ার জাহান বলেন, আমরা সবসময় মানসম্পন্ন মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার চেষ্টা করে থাকি। চেষ্টা করি তাদের মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন করতে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আমরা আইএবি’র সাথে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এর মাধ্যমে স্থাপত্য শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেরাদের তুলে আনার চেষ্টা থাকবে। যাতে শিক্ষাজীবন শেষ করার আগেই প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বাস্তবমুখি স্থাপত্য শিক্ষার সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় ঘটে।