banner

শেষ আপডেট ১০ ডিসেম্বর ২০১৯,  ২০:৪৮  ||   মঙ্গলবার, ১০ই ডিসেম্বর ২০১৯ ইং, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

মহানগরীর চার ফ্লাইওভার সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর

মহানগরীর চার ফ্লাইওভার সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর

১ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২০:৫৯ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • মহানগরীর চার ফ্লাইওভার  সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ নগরীর চার ফ্লাইওভার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সিটি করপোরেশন এর দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ৪টি ফøাইওভার হচ্ছে এম এ মান্নান ফ্লাইওভার, আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ফ্লাইওভার, কদমতলী ফ্লাইওভার এবং দেওয়ানহাট ফ্লাইওভার। আজ রোববার দুপুর ২টায় সিটি কর্পোরেশন এর টাইগারপাস কার্যালয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ফ্লাইওভার সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এর নিকট হস্তান্তর করে। চসিক স্টেট অফিসার এখলাছ উদ্দিন আহম্মদ ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকল্প) মো. মাহফুজুর রহমান হস্তান্তর চুক্তিতে নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সিডিএ চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, সিটি করপোরেশন এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহাসহ দুই সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ চার ফ্লাইওভার যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলেও নিয়ম অনুযায়ী চসিক এর নিকট হস্তান্তর করা হয়নি। ফ্লাইওভারগুলোর ওভারপাস, ফুট ওভারব্রীজ, রাস্তা , ফুটপাত, ড্রেইন, সৌন্দর্য বর্ধন ও বৈদ্যুতিক কাজসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজের জন্য সিটি করপোরেশন ও সিডিএ‘র প্রতিনিধির সমন্বয়ে যৌথভাবে সার্ভে করা হয়। যৌথ সার্ভের প্রেক্ষিতে যে সকল মেরামত কাজ করার প্রয়োজন ছিল তা সিডিএকে জানানো হয়। কিন্ত মেরামত কাজ শেষ করা যায়নি। রক্ষণাবেক্ষনে সিডিএ‘র সক্ষমতা না থাকায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশন এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানান সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস।
এ সময় মেয়র সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের আলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ফ্লাইওভার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য চসিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এগুলো আমরা রক্ষণাবেক্ষণ করবো।

তিনি বলেন, হস্তান্তরের আগে উভয় প্রতিষ্ঠানের টিম আলাদা আলাদাভাবে সার্ভে করেছে। চউকের মেইনটেইন সক্ষমতা নেই। আইনেরও বাধ্যবাধকতা আছে। কদমতলী ও বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারে আমাদের কিছু সংস্কার কাজ করতে হবে। উপরেও করতে হবে, নিচেও করতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা কাজগুলো করবো। আমাদেরও (চসিক) আর্থিক সীমাবদ্ধতা আছে। পাশাপাশি জনবলেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী, বন্দরনগর, সমৃদ্ধ জেলা শহর। চুয়েট সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি আসছেন। তিনি সার্কিট হাউসে রাত্রিযাপন করবেন। আগামীতে প্রধানমন্ত্রীও আসার সম্ভাবনা আছে। আমাদের আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা আছে। অনেক সময় প্রয়োজনীয় সময়ে কাজ শেষ করতে পারি না।
চউক চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ বলেন, আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর নতুন একটি অ্যাক্টে দেখলাম- সিডিএ সরকারের একটি মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন সংস্থা। নিয়ম হচ্ছে সরকার সিডিএর মাধ্যমে সরাসরি উন্নয়ন কাজ করে। কোনো প্রকল্প করার পর স্থানীয় সরকার বিভাগের সংস্থা সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদকে হস্তান্তর করার নিয়ম রয়েছে। আমি দেখলাম ৪টি ফ্লাইওভার নির্মাণের ২-৩ বছর হয়ে গেছে। হস্তান্তর করা হয়নি। মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখলাম। মন্ত্রণালয় সভা ডাকলো। মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত দিয়েছে-চসিককে হস্তান্তর করার। এরপর আমরা চসিককে চিঠি দিই। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।