banner

শেষ আপডেট ১০ ডিসেম্বর ২০১৯,  ২০:৪৮  ||   মঙ্গলবার, ১০ই ডিসেম্বর ২০১৯ ইং, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৮তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে—অঞ্জন শেখর দাশ

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৮তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে—অঞ্জন শেখর দাশ

১৬ নভেম্বর ২০১৯ | ১৮:১৪ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৮তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে—অঞ্জন শেখর দাশ

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ  দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি (সিসিসিআই), বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ)  ও ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও)’র যৌথ আয়োজনে “ক্যাপাসিটি ডেভেলাপমেন্ট অব চেম্বারস অব কমার্স এন্ড বিজনেসেস অন এসডিজি এন্ড ইমপ্লিমেন্টেশন অব আইএলও’র গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফিউচার অব ওয়ার্ক ফাইন্ডিংস ইন বাংলাদেশ” শীর্ষক ওয়ার্কশপ আজ ১৬ নভেম্বর সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।

চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ’র সভাপতিত্বে ওয়ার্কশপে বক্তব্য রাখেন আইএলও’র কান্ট্রি ডাইরেক্টর টুওমো পটিয়েনেন , বিকেএমইএ’র ১ম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন’র মহাসচিব ফারুক আহমেদ, চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, বিবিডিএন এক্সিকিউটিভ কমিটির কো-চেয়ারম্যান মুর্তজা রাফি, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স এসোসিয়েশন’র সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম চৌধুরী মিজান, চট্টগ্রাম জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সালেহ আহমেদ সুলেমান, চট্টগ্রাম ফ্রেশ ফ্রুটস ভেজিট্যাবলস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন’র সভাপতি মাহবুব রানা, বাংলাদেশ ফার্ণিচার শিল্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান, বিন হাবিব বিডি লিঃ’র এমডি সালমান বিন হাবিব, এনআরবি ব্যাংক’র হেড অব ব্রাঞ্চ মোঃ রফিকুল ইসলাম ও বেঞ্চ মেকার’র স্বত্বাধিকারী মোঃ মেহেদী হাসান।

ওয়ার্কশপে তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন ইকে ম্যানেজমেন্ট কনসাল্টিং লিঃ’র লীড কনসালটেন্ট ফেরদৌস আহমেদ ও আইএলও’র প্রোগ্রাম অফিসার খাদিজা খন্দকার।

অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), বেনাজির চৌধুরী নিশান ও মোঃ আবদুল মান্নান সোহেল, বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক এএনএম সাইফউদ্দীন,  সিইউএফএল’র এমডি ইঞ্জি. সুদীপ মজুমদার, এইচআরসি’র সিনিয়র পরিচালক কাজী রুকুনউদ্দীন আহমেদ, জিপিএইচ’র মিডিয়া এডভাইজর ওসমান গণি চৌধুরী, বিএসবিআরএ’র সেক্রেটারী মোঃ সিদ্দিক, বিজিএমইএ, মেঘনা, ক্লিপটন ও মিয়া গ্রুপ, বিকেটিটিসিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ বলেন , বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশ, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে  গড়ে উঠতে কাজ করে যাচ্ছে। ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, বৈদেশিক রিজার্ভ বৃদ্ধিই প্রমাণ করে বাংলাদেশ এশিয়ার অর্থনীতিতে ইমার্জিং টাইগার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অঞ্জন শেখর দাশ আরো বলেন, পিডব্লিউসি রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৮তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে উল্লেখ করে সামাজিক ও ব্যবসায়িক পরিবর্তনে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহারের আহবান জানান।

আইএলও’র কান্ট্রি ডাইরেক্টর টুওমো পটিয়েনেন বলেন, বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক ও টেকসই উন্নয়নে জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত ১৭টি এসডিজির লক্ষ্যবস্তু বাস্তবায়নে আইএলও গভীরভাবে কাজ করছে। তিনি সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরকে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন-এক্ষেত্রে গুণগত ও ভাল কাজ, দক্ষতা বৃদ্ধিকারী কারিগরি ও কর্মমূখী শিক্ষা, পরিবর্তিত পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন এবং এসএমই, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত, গ্রামীণ উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব ব্যবসায়িক কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রাইভেট সেক্টরকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন’র মহাসচিব ফারুক আহমেদ স্বাগতঃ বক্তব্যে বলেন, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। বেসরকারি খাত ছাড়া এ অগ্রাযাত্রা অর্জন করা কোন ভাবেই সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ওয়ার্কশপে বক্তরা এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, যুগপোযোগি প্রশিক্ষণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, উন্নত কর্মপরিবেশ তৈরি, সুপরিকল্পিত নগরায়ন, ক্লিন ওয়াটার ও এনার্জি, অসমতা দূরীকরণ, অবকাঠামো, উদ্ভাবন ও শিল্পায়ন, দেশী-বিদেশী সংস্থার সাথে অংশীদারিত্বসহ অন্যান্য লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।