banner

শেষ আপডেট ১৩ নভেম্বর ২০১৯,  ২০:০৭  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৪ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ৩০ কার্তিক ১৪২৬

বালিশকাণ্ডে ৩৩ প্রকৌশলীকে দুদকে তলব

বালিশকাণ্ডে ৩৩ প্রকৌশলীকে দুদকে তলব

৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২০:৩৮ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • বালিশকাণ্ডে ৩৩ প্রকৌশলীকে দুদকে তলব

পাবনার রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিভিন্ন ভবনের জন্য বিছানা-বালিশ ও আসবাবপত্র কেনায় দুর্নীতির অভিযোগে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ৩৩ প্রকৌশলীকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।আজ  রবিবার ৩ নভেম্বর তাদের তলবি নোটিশ পাঠান দুদক উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন।
আগামী ৬ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পাঁচটি গ্রুপে এই প্রকৌশলীদের রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

দুদক জানায়, ৬ নভেম্বর সাতজনকে দুদক প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। তারা হলেন গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাসুদুল আলম, উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তারেক, মো. তাহাজ্জুদ হোসেন ও মোস্তফা কামাল, উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান, মো. আবু সাঈদ ও মো. ফজলে হক।
৭ নভেম্বর যে সাতজনকে হাজির হতে বলা হয়েছে তারা হলেন উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল আলম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, উপ সহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার নন্দী, মো. শাহীন উদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল করিম ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জিল্লুর রহমান।
১১ নভেম্বর হাজির হতে বলা হয়েছে সাতজনকে। তারা হলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দেবাশীষ চন্দ্র সাহা, উপ সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মো. আহসানুল হক, সহকারী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী খোরশেদা ইয়াছরিবা, সহকারী প্রকৌশলী মো. রওশন আলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. নজিবর রহমান ও সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শফিকুর রহমান।
১২ নভেম্বর হাজির হতে বলা সাতজন হলেন উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. আলমগীর হোসেন, উপ সহকারী প্রকৌশলী শাহনাজ আখতার, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মো. মকলেছুর রহমান, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. শফিউজ্জামান ও রওশন আলী।
১৩ নভেম্বর চারজনকে দুদক প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। তারা হলেন উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. রফিকুজামান, মো. মেহেদি হাসান, মো. মাহবুব রহমান, উপ প্রকল্প পরিচালক মো. হাসিনুর রহমান ও ড. শৌকত আকবর।

প্রসঙ্গত, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প। প্রকল্পের আওতায় ‘গ্রিন সিটি আবাসিক পল্লি’র ভবন নির্মাণ অংশে গণপূর্ত অধিদফতরের ৭টি ২০ তলা ও ২টি ১৬ তলা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এই ভবনগুলোর বিছানা, বালিশ ও আসবাবপত্র কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।