banner

শেষ আপডেট ১৯ নভেম্বর ২০১৯,  ২২:২৬  ||   মঙ্গলবার, ১৯ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

কুতুবদিয়ায় জোরপূর্বক বাল্য বিয়ে, পন্ড করলো পুলিশ

কুতুবদিয়ায় জোরপূর্বক বাল্য বিয়ে, পন্ড করলো পুলিশ

৩১ অক্টোবর ২০১৯ | ২১:১৫ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • কুতুবদিয়ায় জোরপূর্বক বাল্য বিয়ে, পন্ড করলো পুলিশ

লিটন কুতুবী, কুতুবদিয়া : কুতুবদিয়ায় জোরপূর্বক বাল্য বিয়েতে বাধ্য করার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিয়ে পন্ড করলো পুলিশ। বরকে পুলিশ আটক পূর্বক আদালতে প্রেরণ করে। ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপের কৈয়ারবিল ইউনিয়নের মৌলভী পাড়ায়।
ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ অক্টোবর রাতে কৈয়ারবিল মৌলভী পাড়ার বাসিন্দা সরওয়ার আলমের ছেলে আবদুল মোনাফ (১৪) কে নারীর প্রলোভন দেখিয়ে একই এলাকার আবদুল করিমের কন্যা আরজু আকতার (১৬) তার নানার  বাড়ি আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের কাহার পাড়া গ্রামের ছৈয়দ নুরের বাড়িতে নিয়ে যায়।
আরজু আকতারের আতœীয়স্বজন মিলে জোরপূর্বক আবদু মোনাফের সাথে আরজুর বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। এমনকি আবদু মোনাফকে মারধরপূর্বক গুরুতর জখম করে তিনটি খালি ষ্ট্যাম্পে সই নিয়ে নেয় বলে আবদু মোনাফের পিতা সরওয়ার আলম জানান।
এ খবর পেয়ে আবদু মোনাফের পিতা সরওয়ার আলম ছেলে উদ্ধারের জন্য গত ২৬ অক্টোবর কুতুবদিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওসি মুহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউসের নির্দেশে এএসআই পদু বড়ুয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে আবদু মোনাফকে আলী আকবর ডেইল কাহার পাড়ার ছৈয়দ নুরের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে। আবদু মোনাফ ও আরজু আকতার দুই জনই এক সপ্তাহ ধরে একই ঘরে অবস্থান করায় অনৈতিক সম্পর্ক সন্দেহে পুলিশ গত ২৭ অক্টোবর আবদু মোনাফকে  ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরণ করে।
ইতিমধ্যে এলাকার চিহ্নিত কিছু সংখ্যক কুচক্রীমহল ও ইয়াবা ব্যবসায়ীরা মিলে স্থানীয় নির্বাচনকে পুঁজিজকরে তাদের ইন্দনে অপহরণ মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য এলাকার সাবেক মেম্বার নুরুল বশর ও আবদু মোনাফের পিতা সরওয়ার আলমকে ধর্ষণ মামলার আসামী করার হুমকি দিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবী করে বেড়াচ্ছে গডফাদাররা । বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সাবেক মেম্বার নুরুল বশর জানান, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও কিছু সংখ্যক কুচক্রীমহল মামলায় আসামী করার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করার পায়তারা করছে। বর্তমানে একটি কুচক্রীমহল দ্বীপের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করার জন্য এসব কাজ করছে বলে জানান।