banner

শেষ আপডেট ১৩ নভেম্বর ২০১৯,  ২০:০৭  ||   বুধবার, ১৩ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ২৯ কার্তিক ১৪২৬

ফের বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁঝ : আমদানিতে অনিহা

ফের বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁঝ : আমদানিতে অনিহা

২২ অক্টোবর ২০১৯ | ২০:২২ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ফের বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁঝ : আমদানিতে অনিহা

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রামের বাজারে পেঁয়াজের আমদানি কমিয়ে দিয়েছে আমদানিকারকরা। ফলে পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়ায় গত দুইদিন ধরে তৃতীয় ধাপে দাম বেড়ে বর্তমানে পাইকারিতে কেজি প্রতি পেঁয়াজের সর্বোচ্চ দাম দাঁড়িয়েছে ৯৫ টাকা। আজ মঙ্গলবার দেশের অন্যতম ভোগ্যপণ্যের বৃহৎ বাজার খাতুনগঞ্জে এমন চিত্র দেখা যায়।এদিকে বার বার ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযানের রেশকে কেন্দ্র করে এমন দাম বাড়ানো হয়েছে বলে কয়েকজন অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানিকারকরা চট্টগ্রামে পেঁয়াজ দিতে অনিহা দেখাচ্ছে। কারণ, স্থলবন্দরে বাড়তি দামে পেঁয়াজ কিনে এখানের বাজারে সে দাম তুলতে পারছেন না তারা। মূলতঃ ম্যাজিস্ট্রেটের বার বার অভিযান ও কম দামে পেঁয়াজ বিক্রির বাধ্যবাধকতায় এমন অনিহা দেখাচ্ছেন তারা।

তারা জানান, আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত টেকনাফ বর্ডারে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া ভারতের বর্ডারে বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকায়। তাই চট্টগ্রামের বাজারে আসতে আসতে দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু যথাযথ দাম তুলতে পারবেন না ভেবে আমদানিকারকরা এখানে পেঁয়াজ দেয়া কমিয়ে দিয়েছে। ফলে বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাতুনগঞ্জ হামিদুল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় মাল আমদানি অনেক কম। তাই গত দুইদিন আগ থেকে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। আজ বাজারে কোনো পেঁয়াজের গাড়ি আসেনি। তবে মিয়ানমারের ১২-১৩টি গাড়ি (১৩-১৪ টনের), ভারতের ৪-৫টি গাড়ি ও তুরষ্কের মাত্র ১-২টি গাড়ি বাজারে ঢুকেছে। তিনি বলেন, অনেক আমদানিকারক ভয়ে আছেন। কারণ, ম্যাজিস্ট্রেটের  নির্ধারিত দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে তাদের লোকসান গুণতে হচ্ছে।
আজ বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ভারতীয় পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ৯৫ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মায়ানমার ৮০-৮২ টাকায় এবং তুরষ্কের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। তবে গত দুই দিনের তুলনায় আজ মঙ্গলবার ভারত ও মায়নমারের পেঁয়াজে ৫-৭ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গতকাল পর্যন্ত ভারতের পেঁয়াজ ৯০ টাকা ও মায়ানমারের ৭৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে আসছিল। তবে তুরষ্কের পেঁয়াজ ৮০ টাকাতেই বিক্রি হয়ে আসছে।