banner

শেষ আপডেট ২২ অক্টোবর ২০১৯,  ১৯:৫৯  ||   মঙ্গলবার, ২২ই অক্টোবর ২০১৯ ইং, ৭ কার্তিক ১৪২৬

চিটাগাং চেম্বারে থাই রাষ্ট্রদূতঃ কানেক্টিভিটির উপর গুরুত্বারোপ চেম্বার সভাপতির

চিটাগাং চেম্বারে থাই রাষ্ট্রদূতঃ কানেক্টিভিটির উপর গুরুত্বারোপ চেম্বার সভাপতির

১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১৯:৪৭ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • চিটাগাং চেম্বারে থাই রাষ্ট্রদূতঃ কানেক্টিভিটির উপর গুরুত্বারোপ  চেম্বার সভাপতির

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মিস. অরুনরং ফথং হমফ্রেস দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম’র সাথে আজ ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

এ সময়  চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), অঞ্জন শেখর দাশ, বেনাজির চৌধুরী নিশান, মোঃ শাহরিয়ার জাহান, তাজমীম মোস্তফা চৌধুরী ও সাকিফ আহমেদ সালাম, থাই অনারারী কনসাল ও চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারী পিচায়া অ্যাডসাকুল ও পলিটিক্যাল এসিস্ট্যান্ট মোঃ সানভিরাজ হাসান (নিলয়) উপস্থিত ছিলেন।
চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কানেক্টিভিটির উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বন্দর ও থাইল্যান্ডের রেনং বন্দরের মধ্যে সরাসরি সমুদ্র যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে আরো দ্রুততর ও সাশ্রয়ী করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ থেকে বিশেষ করে চট্টগ্রাম থেকে প্রচুর সংখ্যক পর্যটক ও চিকিৎসা প্রত্যাশী থাইল্যান্ড গমন করে থাকেন। এসব গমনেচ্ছুদের জন্য ‘অন এ্যারাইভাল ভিসা’ পদ্ধতি চালু করার বিষয় বিবেচনা করার জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম-ব্যাংকক রুটে কোন বিমান চলাচল করছে না উল্লেখ করে অতি দ্রুত এ রুটে থাই এয়ারওয়েজের বিমান পরিচালনার লক্ষ্যে রাষ্ট্রদূতের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সাথে  মিরসরাই ইকনোমিক জোনে থাই বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।
থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অরুনরং ফথং হমফ্রেস বলেন, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা তাঁর সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি এক্ষেত্রে উভয় দেশের জনগণ ও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত সরাসরি সমুদ্র পথে যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ ব্যাপারে উভয় সরকারকে একযোগে কাজ করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন। বর্তমানে তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে জানিয়ে এ পদ্ধতি আরো উন্নত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশেষ করে চট্টগ্রাম নিশ্চিতভাবেই অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন থাই রাষ্ট্রদূত। মতবিনিময়কালে আরো বক্তব্য রাখেন থাই অনারারী কনসাল আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী ও চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ।