banner

শেষ আপডেট ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯,  ২২:১৭  ||   সোমবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং, ১ আশ্বিন ১৪২৬

দুর্নীতিকে কঠোর হস্তে দমন করার জন্য সরকার কাজ করছে—তথ্যমন্ত্রী

দুর্নীতিকে কঠোর হস্তে দমন করার জন্য সরকার কাজ করছে—তথ্যমন্ত্রী

৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১৯:১০ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • দুর্নীতিকে কঠোর হস্তে দমন করার জন্য সরকার কাজ করছে—তথ্যমন্ত্রী

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা দুর্নীতিতে দেশকে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশকে লজ্জিত করেছিলেন। তাদের পুরো রাজনৈতিক নেতৃত্ব যেখানে দুর্নীতিতে আকুণ্ঠ নিমজ্জিত ছিলেন। দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করার অধিকার সেই বিএনপির নেই। দুর্নীতিকে কঠোর হস্তে দমন করার জন্য সরকার কাজ করছে। আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামে রবি-দৃষ্টি বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া নিজে কালো টাকা সাদা করেছেন। তাদের অর্থমন্ত্রীও কালো টাকা সাদা করেছিলেন। তারেক রহমানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এফবিআই এসে বাংলাদেশে সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন। যে কারণে তার ১০ বছর সাজা হয়েছে। আরাফাত রহমানের দুর্নীতি সিঙ্গাপুরে ধরা পড়েছে। সেটির সঙ্গে বালিশ আর পর্দা দুর্নীতির কোন তুলনা হয় না। এটি হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তারা কিছু দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

দৃষ্টির সভাপতি মাসুদ বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির সদস্য সাফিয়া গাজী রহমান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, কর্ণফুলি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুদ্দিন তাবরীজ প্রমুখ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বালিশ কিংবা পর্দা দুর্নীতি ঘটেছে কিছু কর্মকর্তার মাধ্যমে। এখানে কোন রাজনৈতিক বা জনপ্রতিনিধির সংশিষ্টতা নেই। এই দুটি দুর্নীতির ব্যাপারে সরকার অত্যন্ত কঠোর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছেন। বালিশ দুর্নীতির সঙ্গে যারা যুক্ত ছিল তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্দা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

‘সরকার কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হবার কারণে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হচ্ছে না’ বলে বিএনপির অভিযোগ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সৌদি আরবে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা আছে যারা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশি পরিচয়ে সেখানে বসবাস করছে। সেখানে তারা সমস্ত অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত। তাদের জন্য বাঙালিদের বদনাম হচ্ছে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন হাজার হাজার রোহিঙ্গা সৌদি আরব গিয়েছিল, তখন বিএনপিই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিয়েছিল।

তিনি বলেন, সরকার কূটনৈতিকভাবেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের জন্য কাজ করছে। সহসাই এই সমস্যার সমাধান হবে।

জাতীয় পার্টিতে অস্থিরতার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পার্টির সমস্যাটি তাদের দলের বিষয়। আমি আশা করবো জাতীয় পার্টির যে সাময়িক মতপার্থক্য ও সংকট সেটি কাটিয়ে উঠবে। সহসাই তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।