banner

শেষ আপডেট ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯,  ২২:১৭  ||   সোমবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং, ১ আশ্বিন ১৪২৬

বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র ‘ইম্পেরিয়াল’র মডেল ফার্মেসীর যাত্রা শুরু

বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র ‘ইম্পেরিয়াল’র মডেল ফার্মেসীর যাত্রা শুরু

৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ২১:৩৯ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র ‘ইম্পেরিয়াল’র  মডেল ফার্মেসীর যাত্রা শুরু

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ  প্রায় ৯ শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর পাহাড়তলীস্থ বহুমুখী বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র ‘ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড (আইএইচএল) এর মডেল ফার্মেসীর যাত্রা শুরু হয়েছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক “ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল মডেল ফার্মেসী’ এর উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বমানের ৩৭৫ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক এই হাসপাতালের সেমিনার কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনালের মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশের চিকিৎসা সেবায় নতুন পালক যুক্ত করা এই হাসপাতাল বিশ্বমানের হাসপাতাল হিসেবে স্থাপিত হয়েছে। হাসপাতালের কর্মকান্ড যেমন শুনেছি, আজ এসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসার বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শনে আমি মুগ্ধ হয়েছি। অনেক হাসপাতাল দেখেছি তবে এটা ব্যতিক্রমধর্মী। আমাদের আর টাকা খরচ করে বিদেশ যেতে হবে না। বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা মিলবে এই হাসপাতালের এক ছাদের মধ্যেই।
অনুষ্ঠানে চিকিৎসা সেবার প্রয়োজনীয় দিকগুলো তুলে ধরেন আইএইচএল এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন।

তিনি বলেন, উন্নতমানের সার্বক্ষণিক ইমার্জেন্সি সেবা এবং কার্ডিয়াক, ট্রান্সপ্ল্যান্ট, নিউরো, অর্থোপেডিক ও গাইনি অবস্ ইত্যাদি সম্বলিত ১৪টি মডিউলার অপারেশান থিয়েটার, ১৬ টি নার্স স্টেশন ও ৬২ টি কনস্যালটেন্ট রুম সম্বলিত বহির্বিভাগ এবং আধুনিক গুণগত মানসম্পন্ন ৬৬ টি ক্রিটিকাল কেয়ার বেড; নবজাতকদের জন্য ৪৪ শয্যাবিশিষ্ট নিওনেটাল ইউনিট এবং ৮ টি পেডিয়াট্রিক আই সি ইউ নিয়ে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তাসলিমা আক্তারের উপস্থাপনায় অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন আরো বলেন, হাসপাতাল বাস্তবায়নে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ (ইনফেকশান কন্ট্রোল), রোগীদের নিরাপত্তা এবং কর্মীদের নিরাপত্তার ৩টি বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। হতদরিদ্র, দুস্থ রোগীদের জন্য নূন্যতম খরচে উন্নত চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা রয়েছে।
অধ্যাপক ডা. রবিউল বলেন, এ দেশে বিশেষ করে চট্টগ্রামে উন্নতমানের স্বাস্থ্য সেবার অপ্রতুলতার কারণে বহু সংখ্যক রোগী বিদেশে যেতে বাধ্য হচ্ছে, যার ফলে তাদেরকে ও পরিবারকে আর্থিক, শারীরিক এবং মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়। এই অবস্থা থেকে কিছুটা পরিত্রাণের উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর আগে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মডেল ফার্মেসী, আইসিও (পেডিয়েট্টিক), আইসিও, সিসিইউ. পোষ্ট কের্থ, গরীব রোগীদের ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন।
পেডিয়েট্টিক বিভাগ পরিদর্শনকালে প্রায় দুই যুগের কাছাকাছি ইংল্যান্ড সিঙ্গুপুর, মালেশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশু বিভাগে কর্মরত হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. সাইফুল ইসলাম মহাপরিচালককে বলেন, এখানে শিশুদের হাড়ের জন্মগত সমস্যার উন্নত চিকিৎসা, অপারেশন ছাড়া ডিভাইসের মাধ্যমে হাডের ছিদ্র বন্ধ করার সুযোগ রয়েছে। পেডিয়েট্টিক, আইসিও ও  নিউনেটোলজি (নবজাতক) বিভাগটিতে সব ধরণের সেবা দেয়া হয় বলে তিনি জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক রুহুল আমিন, সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, ড. মোহাম্মদ আকিব হোসেন, মাহাফুজুর রহমান, এম মোছাদ্দেক হোসেন, হাসপাতালের পরিচালক (স্ট্রাটেজিক কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট) রিয়াজ হোসেন প্রমূখ।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুন  আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও ভারতের নারায়ণা হেল্থ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী হাসপাতালের উদ্বোধন করেন। ডা. দেবী প্রসাদ শেঠীর নারায়ণা হেলথ এবং ইমপেরিয়াল যৌথভাবে কার্ডিয়াক সেন্টার পরিচালনা করে আসছে।