banner

শেষ আপডেট ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯,  ২২:১৭  ||   সোমবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং, ১ আশ্বিন ১৪২৬

উত্তরার কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকদের বিরুদ্ধে যৌনরানি মামলা

উত্তরার কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকদের বিরুদ্ধে যৌনরানি মামলা

২২ অগাস্ট ২০১৯ | ২১:৫০ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • উত্তরার কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকদের বিরুদ্ধে যৌনরানি মামলা

মো:আতিকুর রহমান,ঢাকা উত্তরা প্রতিনিধি: রাজধানীর উত্তরা এলাকার তুরাগ থানাধীন কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ সহকারী দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই সহকারী শিক্ষক হলেন, সিনিয়র শিক্ষক মোঃ জানে আলম (৬০) ও সহকারী গণিত শিক্ষক মোঃ সানোয়ার হোসেন।

দীর্ঘদিন যাবৎ এই দুই শিক্ষকের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সহ গভর্ণিং বডির কমিটিদের কাছে বিচার দিয়ে কোন ফলাফল না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ১০/৩০ ধারায় আদালতে মামলা করেন। মামলা নং-১৭১/১৯।

মামলার বাদীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, তিনি ২০১৩ ইং সাল থেকে কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের বাংলা সহকারী শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক খোরশিদ জাহান তাকে এমপিও করার নামে ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন।
দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের প্রতিহিংসার শিকার হয়  ঐ শিক্ষিকা।

প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত ঐ দুই সহকারী শিক্ষককে ভুক্তভোগীর পিছনে লেলিয়ে দেন। এই সুযোগে জানে আলম ও সানোয়ার হোসেন যৌন হয়রানি শিকার শিক্ষিকার সাথে খারাপ আচরণ, রাস্তায় পথ আটকিয়ে গাঁয়ে স্পর্শ করা ও বিভিন্ন সময় কুরুচি পূর্ণ ভাষা ব্যবহার সহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাদের লালশার শিকার বানাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি নোটিশ প্রেরণ করা হয়। নোটিশে তাকে চরিত্রহীন বানানোর হীন চেষ্টা করা হয়, বলা হয় আপনি বিভিন্ন হোটেলে রাত কাটান এবং অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকেন। যাহা একজন নারীর চরিত্রে কলঙ্ক দেয়া। একজন সচেতন লোক হিসেবে প্রধান শিক্ষক কখনও এরকম হীন কাজ করতে পারেন না।

অভিযোগে আরও জানা যায়, ঐ দুই শিক্ষক বর্তমানে বাদীকে নানা ধরনের হুমকি ও লোক-মারফত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। যেকোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন বলে জানান ভুক্তভোগী।

অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত সহকারী দুই শিক্ষকের মাধ্যমে দূর্নীতি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অপরাধ অপকর্ম ও অনিয়ম করে আসছে।তাদের অপকর্মের বিষয়ে এলাকার অনেকেই জানেন। জনমনে প্রশ্ন এত অপকর্ম ও স্বেচ্ছাচারিতা করার পরেও কোন গায়েবী শক্তির বলে তারা বহাল তবিয়তে আছেন?