banner

শেষ আপডেট ২৬ অগাস্ট ২০১৯,  ১০:৪৮  ||   সোমবার, ২৬ই আগষ্ট ২০১৯ ইং, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

চামড়া শিল্প ধংসের জন্য সরকারের অব্যস্থাপনা ও সিন্ডিকেটই দায়ী—আবুল হাশেম বক্কর

চামড়া শিল্প ধংসের জন্য সরকারের অব্যস্থাপনা ও সিন্ডিকেটই দায়ী—আবুল হাশেম বক্কর

১৪ অগাস্ট ২০১৯ | ২০:১৭ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • চামড়া শিল্প ধংসের জন্য সরকারের অব্যস্থাপনা ও সিন্ডিকেটই দায়ী—আবুল হাশেম বক্কর

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, ঈদে যে আমেজ উচ্ছ্বাস থাকে, সেটা দেশের মানুষ ভুলে গেছে। মানুষ এখন আতঙ্কিত জীবন যাপন করছে। সারাদেশের অনেক মানুষ ঈদে বাড়িতে যেতে পারেনি, সরকারি দলের নেতাদের চাঁদাবাজি আর ক্ষমতার দাপটে রাস্তায় যানবাহন দীর্ঘ লাইন হয়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আজ ১৪ আগস্ট বুধবার নগরীর এনায়েত বাজারস্থ নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনসাধারণের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

সেই যানজটের কারণে অনেক মানুষ পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারেনি। সড়কেই ঈদের দিন যানজটের উপর আটকে পড়েছে।

তিনি আরো বলেন, সরকার সাজানো মামলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে বিএনপি তথা দেশের জনগণ ঈদের আমেজ হারিয়ে ফেলেছে। দেশে ডেঙ্গু মহামারী ধারণ করেছে, বন্যায় মানুষের জানমালের ক্ষতি হয়েছে। সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলে এসব নিয়ে সরকার উদাসীনতা প্রকাশ করছে। জনগণের প্রতি যে দায়িত্ব থাকার কথা সরকার তা ভুলে গেছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে যে সব চামড়া ব্যবসায়ী ব্যবসায় নেমেছেন, তারা আজ পথের ফকির হয়ে গেছে। সরকারী দলের নেতাদের কারণে চামড়া শিল্প আজ ধংসের দ্বারপ্রান্তে। কোরবানির পশুর চামড়ার দাম গরীব জনগণ পায় না। চামড়া ব্যবসায়ীরা কাঁচা চামড়ার দাম না পেয়ে চামড়া রাস্তায় ফেলে দিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। কেউ রাস্তায় ফেলে যাচ্ছে আর কেউ মাটিতে পুঁতে ফেলছে। এ রকম অবস্থা বাংলার মাটিতে আর কখনো দেখা দেয়নি। এজন্য সরকারের অব্যস্থাপনা ও সিন্ডিকেটই দায়ী।
এ সময় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবে রহমান শামীম, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ এম এ আজিজ, মো. মিয়া ভোলা, শফিকুর রহমান স্বপন, সাংবাদিক নেতা জাহিদুল করিম কচি, নগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দীন, শাহ আলম, ইস্কান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, ইঞ্জি. বেলায়েত হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইবরাহিম চৌধুরী, জহির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী, কাউন্সিলর আবুল হাশেম, সম্পাদক এম আই চৌধুরী মামুন, মহিলা দলের সভানেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি, আব্বাস রশিদ, এইচ এম রাশেদ খান, থানা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ডিপ্তী, হাজী বাবুল হক, ডা. আফসার উদ্দীন, সহ সম্পাদক আজাদ বাঙালী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আবু মুসা, জেলী চৌধুরী, শফিকুর রহমান, আবুল খায়ের মেম্বার, আবদুল হাই, আলী আজম, সালাউদ্দীন লাতু, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ জাকির হোসেন, রোকন উদ্দীন মাহমুদ, মাঈনউদ্দীন চৌধুরী মাঈনু, নগর বিএনপির সদস্য ইউসুফ সিকদার, আতিয়া আকতার উষা, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এস এম মফিজ উল্লাহ, আলাউদ্দীন আলী নুর, মো. রফিক, মোশাররফ জামাল, এস এম জামাল উদ্দীন জসিম, মো. আজম, সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান রিপন, সিরাজুল হক মুন্সী, আশরাফ খান, জসিম মিয়া, আবু ফয়েজ, মনজুরুল কাদের, হাজী জাহেদ, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, ফরিদ উদ্দীন, মো. কামরুল ইসলাম, যুবদলের সহসভাপতি শাহেদ আকবর, সহসাধারণ সম্পাদক তানভীর মল্লিক, মো. নওশাদ, মো. সুমন, বজল আহমদ, নগর মহিলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক জমির উদ্দীন নাহিদসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।