banner

শেষ আপডেট ২৬ অগাস্ট ২০১৯,  ১০:৪৮  ||   সোমবার, ২৬ই আগষ্ট ২০১৯ ইং, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

আওয়ামী লীগে সুযোগসন্ধানী-অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে হবে–তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগে সুযোগসন্ধানী-অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে হবে–তথ্যমন্ত্রী

১৭ জুলাই ২০১৯ | ২০:৪০ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আওয়ামী লীগে সুযোগসন্ধানী-অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে হবে–তথ্যমন্ত্রী

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ আওয়ামী লীগে সুযোগসন্ধানী-অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কথা জানালেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ পর পর তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায়। জননেত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুর মুখে থেকেও পিছপা হননি, বিচলিত হননি। দলে অনেক সুযোগসন্ধানী ঢুকেছে। এদের চিহ্নিত করতে হবে। আজ বুধবার সকালে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে গণতন্ত্র বন্দি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য মন্ত্রী বলেন, আদালতে বিচার কক্ষে মামলার হাজতী কর্তৃক বাদীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা নিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি এই ঘটনাকে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

বিএনপির উদ্দেশ্যে আমি তাই বলি, আপনারা নিজেদের সভা সমাবেশে নিজেরা চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি করেন। দেশের মানুষ তা দেখে। আগে নিজেদের চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি না করার যোগ্যতা অর্জন করুন। বিএনপির নেতাকর্মীদের রাজনীতি হালুয়া রুটি ভোগের রাজনীতি। তারা হালুয়া রুটি খাওয়ার জন্য রাজনীতিতে আসেন। তারা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে। দেশপ্রেম নিয়ে রাজনীতি করে না। আদালতে যে ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ শুরু করেছে। এই ঘটনায় দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে অভিযোগ করা ঠিক নয়। আগামীতে সংসারে স্বামী স্ত্রীর ঝগড়ার ঘটনাকেও বিএনপি আইন শৃঙ্খলা অবনতি হয়েছে বলবে।

বিএনপির সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ‘নিয়ন্ত্রিত’ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিল। তারা শুধু ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে। ক্ষমতায় এসে সবকিছু লুটেপুটে খায়। তারা টানা কয়েকবার এদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করেছে।

মহানগর আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, গণমানুষের বাক স্বাধীনতা হরণের জন্য তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে। কিন্তু একের পর এক মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা জনগণের নেত্রী কোন কিছুকেই পরোয়া করেননি। দ্বিধান্বিত হননি। গনতন্ত্র রক্ষায়, দেশের মানুষকে রক্ষায় প্রিয় নেত্রী সবসময় কান্ডারীর ভূমিকায় রয়েছেন।
৩৮ বছর ধরে জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে ২১ বছর যারা বুকে পাথর চেপে রেখে দলের জন্য ত্যাগ করে গেছে তাদেরকে নেতৃত্বে আনতে হবে। এসব কর্মীই দরকার আওয়ামী লীগের। আওয়ামী লীগ অনেক বড় সংগঠন। অনেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিবে। আওয়ামী লীগে যোগদান করে দল করার অধিকার সবার আছে কিন্তু সবার পদ-পদবী পাওয়ার অধিকার নেই।
সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

নগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, এড সুনীল কুমার সরকার, এড. ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, কার্যনির্বাহী সদস্য মো জাবেদ, সদরঘাট থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী সিএনসি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ আহমদ চৌধুরী, মোসলেম উদ্দিন, আবুল হাসেম বাবুল প্রমূখ।