banner

শেষ আপডেট ১৮ অক্টোবর ২০১৯,  ২১:০২  ||   শুক্রবার, ১৮ই অক্টোবর ২০১৯ ইং, ৩ কার্তিক ১৪২৬

আলমডাঙ্গার রুইথনপুরে বিবাহ না করেই অন্তঃসত্ত্বাঃ অভিযোগের আঙ্গুল জনৈক পীর সাহেবের দিকেঃ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

আলমডাঙ্গার রুইথনপুরে বিবাহ না করেই অন্তঃসত্ত্বাঃ অভিযোগের আঙ্গুল জনৈক পীর সাহেবের দিকেঃ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

২৯ জুন ২০১৯ | ২০:০৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আলমডাঙ্গার রুইথনপুরে বিবাহ না করেই অন্তঃসত্ত্বাঃ অভিযোগের আঙ্গুল জনৈক পীর সাহেবের দিকেঃ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ১৪ নং চিৎলা ইউনিয়নের রুইথনপুর বিশ্বাস পাড়ার মাইজ ভান্ডারি (তরিকা ভক্ত) তাঁরা মল্লিকের মেয়ে হিরা আক্তারের(১৬) গর্ভে বিবাহ না করেই সন্তান আসার গুনজন উঠেছে । কিন্তু মেয়ের পিতা তাঁরা মল্লিক বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে গর্ভের সন্তানের পিতা কে বা কারা তা কেউ সঠিকভাবে জানাতে না পারলেও অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে মাইজ ভান্ডারি (তরিকা ভক্ত) তাঁরা মল্লিকের জৈনেক পীর সাহেবের দিকে।
এলাকা সুত্রে কয়েকজন মহিলা জানায়, কয়েকদিন যাবত হঠাৎ করে হীরার ঘন ঘন বমি হওয়া পেট ফোলা দেখে আমরা তো অবাক। হীরাকে জিজ্সা করলে হীরা কোন উত্তর দেয় নি। ঘটনার পর থেকে হীরা বাড়ি থেকে পালিয়ে আত্বীয় বাড়িতে অবস্থান করছে বলে গোপন সুত্রে খবর মিলেছে।
এই বিষয়ে মেয়ের পিতা মাইজ ভান্ডারি (তরিকা ভক্ত) তাঁরা মল্লিকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানায়, আমার মেয়ের পেট ফুলছে কথাটা ঠিক আছে কিন্তু মেয়ে গর্ভবতী না । মেয়ের পেট এমনিতেই ফুলেছে । আমার মেয়ের রোগ আছে।

এলাকার গুনজন নিয়ে তিনি আরো জানান, আমার মাইজ ভান্ডারির তরিকার কিছু লোক আমাকে সমাজের বুকে হেয়পতিপন্ন করার জন্য এই গুজবটা ছড়াতে পারে। তবে আমি শুনেছি এই বিষয়টা । তবে কে কারা ছড়াচ্ছে আমি কিছুই জানি না । তবে এটা মিথ্যা বানোয়াট। ঘটনা ধামাচাপা দিতে মেয়ের পিতা তাঁরা মল্লিক নানান ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে গোপন সুত্রে খরব মিলেছে ঘটনার পর থেকে আত্নগোপনে থাকা হীরা খাতুন ঘটনা ধামাচাপা দিতে আজ শনিবার সন্ধ্যার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের এক নার্সের সহযোগীতায় বাচ্চা অ্যাবোশন করছে এবং হাসপাতাল থেকে বর্তমানে সে তার বাড়িতে অবস্থান করছে।

বিবাহ না করেই সন্তান আসার বিষয়ে একই পাড়ার কয়েকজন জানান, তাঁরা মল্লিকের পীর সাহেবের দ্বারা এই কাজ সংঘটিত হতে পারে কারণ হীরা ঢাকাতে ওই পীর সাহেবের বাসায় দীর্ঘদিন যাবত যাওয়া আসা করত । কখনো পরিবার নিয়ে আবার কখনো একা।