banner

শেষ আপডেট ২০ অক্টোবর ২০১৯,  ২১:১৬  ||   রবিবার, ২০ই অক্টোবর ২০১৯ ইং, ৫ কার্তিক ১৪২৬

পটিয়ায় মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ চমেকে মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করছে দগ্ধ ১৭ জন

পটিয়ায় মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ চমেকে মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করছে দগ্ধ ১৭ জন

২৬ জুন ২০১৯ | ২১:১৬ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • পটিয়ায় মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ  চমেকে মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করছে দগ্ধ ১৭ জন

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ  মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে শিশুসহ কমপক্ষে দগ্ধ ১৭ জন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছে। এর আগে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ডাকবাংলো মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে চারজনের অবস্থার অবণতি হয়েছে। আজ বুধবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখাকালে চিকিৎসাধীন এই চারজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দায়িত্বরত সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. নারায়ণ ধর বলেন, ধোঁয়া ঢুকে অগ্নিদগ্ধ সবার শ্বাসনালী আক্রান্ত হয়েছে। তবে এই চারজনের শ্বাসনালী বেশি আক্রান্ত হয়েছে। সেজন্য তাদের অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ বলে আমরা মনে করছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের অভিভাবকদের ঢাকায় নিয়ে যাবার জন্য বলা হয়েছে। ঢাকায় পাঠানোর ক্ষেত্রে আমরা সার্বিক সহযোগিতা দেব।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চারজনের মধ্যে আবির নামে এক শিশুর শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। কামাল নামে আরেকজনের ২৫ শতাংশ পুড়েছে। এছাড়া জাহাঙ্গীরের ২০ শতাংশ ও ইদ্রিসের ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
নারায়ণ ধর বলেন, সব রোগীরই শরীরে কমবেশি দগ্ধ হয়েছে। ১৫ শতাংশ থেকে ৪২ শতাংশ পর্যন্ত পুড়েছে এমন রোগী আছে। তবে যাদের শ্বাসনালী বেশি আক্রান্ত হয়েছে তারাই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পটিয়া পৌরসভার ডাকবাংলো মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ভাষ্যমতে, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিদেশফেরত যাত্রী নিয়ে একটি হাইস মাইক্রোবাস যাচ্ছিল চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়ায়। পটিয়ার ডাকবাংলো মোড়ে মাইক্রোবাসটিকে পেছন থেকে অজ্ঞাত একটি গাড়ি ধাক্কা দিলে এর গ্যাস সিলিন্ডার ফুটো হয়ে যায়। এসময় মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি ইটের স্তুপে গিয়ে পড়লে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে। দগ্ধ অবস্থায় ১৭ জনকে রাত পৌনে ১২ টার দিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এদের মধ্যে তিনজন শিশু ও বাকি সবাই বিভিন্ন বয়সী পুরুষ। ১৭ জনের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় রাতেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ১৬ জনকে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে ১২ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন- আবুল কালাম, আবদুল আলম, মো. জহির, আরিফ, তৌহিদুল ইসলাম, লোকমান মিয়া, ইদ্রিস মিয়া, মো. হেলাল, মো. বেলাল, মো. জাহাঙ্গীর, মো. মামুন ও মো. আবির।