banner

শেষ আপডেট ১৫ নভেম্বর ২০১৯,  ২০:৫০  ||   শুক্রবার, ১৫ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

ঝিমিয়ে গেছে ৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের তদন্তঃ চার মাসেও জমা হয়নি প্রতিবেদন

ঝিমিয়ে গেছে ৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের তদন্তঃ চার মাসেও জমা হয়নি প্রতিবেদন

২৪ জুন ২০১৯ | ২০:৫৯ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ঝিমিয়ে গেছে ৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের তদন্তঃ চার মাসেও জমা হয়নি প্রতিবেদন

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অংগ প্রতিষ্টান স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কম্পানি লিমিটেডের(এসএওসিএল) ৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের  অভিযোগ গঠিত দুইটি তদন্ত কমিটি ৪ মাসে ও তদন্ত শেষ করতে পারেনি ।করেছিল ঘঠনা তদন্তে

অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করায় তদন্ত প্রতিবেদন বিলিম্বিত হচ্ছে।

৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশন গত ৭ ফ্রেবুয়ারি চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে (স্মারক নং- ২৮.০৩.০০০০,০০৮,২১,০০,১৫,২৬)। এর আগে দুদক কমিশন একই বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেছিল ঘঠনা তদন্তে ।

জানা গেছে, মুনীর চৌধুরী দুর্নিতি দমন কমিশন দুদক এর মহা পরিচালক থাকা কালে গত জানুয়ারি মাসে স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কম্পানি লিমিটেডের আর্থিক অনিয়মের তদন্ত শুরু করেন। সেসময় মহাপরিচালক হিসেবে গণমাধ্যেমে দেওয়া এক সাক্ষাংকারে তিনি বলেন, স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কম্পানি লিমিটেডের পরিচালক মইন উদ্দিন আহম্মেদ এবং মহা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহেদের বিরুদ্ধে পারস্পারিক যোগশাজসে কম্পানির বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ উত্তেলনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছিল।

 

তদন্ত প্রসংগে জানতে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ও উপপরিচালক মাহমুদুর রহমানের সংগে যোগাযোগ করা হলে তিন  বলেন,অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যাংক এবং সাব রেজিষ্টার অফিসে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা এখনো সেসব চিঠির উত্তর দেয়নি। তাই তদন্ত শেষ করতে বিলম্ব হচ্ছে।

 

এদিকে বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশনের গঠিত তদন্ত কমিটি গত চার মাসে স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কম্পানি লিমিটেডের দুই অর্থ বছরের (২০১২-১৩ এবং ২০১৩-১৪)আর্থিক হিসাব করতে পেরেছে বলে জানা গেছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা আরো জানান, ২০১২-১৩ অর্থ বছর  থেকে শুরু করে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের আয়-ব্যয় অডিট, বিনিয়োগ ইত্যাদি সার্বিক আর্থিক কর্মাকান্ড পর্যালোচনা করার কথা তদন্ত কমিটির। কিন্তু গত চার মাসে তদন্ত কর্মকর্তারা মাত্র দুই অর্থ বছরের নথি পর্যালোচনা করতে পেরেছেন।

 

অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করা হইয়েছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ।এছাড়া ও তদন্ত যেন আর আলোর মুখ না দেখে তার জন্য বিপিসির বর্তমান চেয়ারম্যানকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার ওচক্রান্ত  চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

তদন্তের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তদন্ত কমিটির প্রধান বিপিসির পরিচালক (অপারেশন ও পরিবহন) সৈয়দ মেহেদি হাসান বলেন, ২০১২-১৩ এবং ২০১৩-১৪ অর্থ বছরের নথিপত্র পর্যালোচনা  করতে পেরেছি। এর আলোকেই চলতি সপ্তাহে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আশা করছি আগামী বুধবার প্রতিবেদন জমা দিতে পারব। বাকি অর্থবছরের কাজ করার জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন করবো উর্ধধন কর্তপক্ষের কাছে।

এই প্রসংগে বিপিসির চেয়ারম্যান মোঃ সামছুর রহমান বলেন, বিপিসির তদন্ত কমিটির সদস্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।যেন তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেন।