banner

শেষ আপডেট ২০ অক্টোবর ২০১৯,  ২১:১৬  ||   রবিবার, ২০ই অক্টোবর ২০১৯ ইং, ৫ কার্তিক ১৪২৬

‘প্রত্যাশা’র তামাকবিরোধী ঘোড়ার গাড়ির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

‘প্রত্যাশা’র তামাকবিরোধী ঘোড়ার গাড়ির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

২০ জুন ২০১৯ | ১৯:৪২ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ‘প্রত্যাশা’র তামাকবিরোধী ঘোড়ার গাড়ির শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সরকারীভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানের মত রাজধানীতেও বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষেআজ ২০ জুন বৃহষ্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হইতে জাতীয় যাদুঘর পর্যন্ত ‘প্রত্যাশা’ মাদক বিরোধী সংগঠনের উদ্যোগে পাবলিক প্লেসে ধূমপান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের দাবীতে ব্যানার-ফেস্টুন,প্ল্যাকার্ড-পোস্টার ও নানান রংয়ের বেলুন-পতাকা নিয়ে এক বর্ণাঢ্য তামাকবিরোধী ঘোড়া গাড়ি’র শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঘোড়া গাড়ি’র র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথি বিশিষ্ট রাজনীতিক ও বর্ষীয়ান নেতা মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু বলেন, দেশী/বিদেশী সকল তামাক কোম্পানীসমূহকে দেশের প্রচলিত ধূমপান ও তামাকজাতদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে তামাকের ব্যবসা করতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লংঘনকারীদের কঠোরভাবে আইন পালনে বাধ্য করতে হবে।

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে জনসচেতনতার পাশাপাশি আইন সম্পর্কে সাধারন জনগণকে সচেতন করতে ব্যাপকহারে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে। শুধুমাত্র দিবস কেন্দ্রীক কর্মসূচী গ্রহণ না করে সারাবছর দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তামাকবিরোধী কর্মসূচী অব্যাহত রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ‘প্রত্যাশা’র সাধারন সম্পাদক হেলাল আহমেদ বলেন,তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকারের দূর্বল নজরদারীর কারণে দেশী/বিদেশী তামাক কোম্পানী গুলো অনেকটা ফ্রি স্টাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লংঘন করে যাচ্ছে,যার নমুনা হিসাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়ক/অলিগলিতে কয়েক গজ দূরে দূরে ব্যাঙের ছাতার মত শত শত ছোট ছোট বিড়ি-সিগারেটের দোকান বা পয়েন্ট অব সেল গড়ে উঠেছে।

এইসব পয়েন্ট অব সেলে সরকারের ধূমপান ও তামাকজাতদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর চোখের সামনে দিনে-দুপুরে প্রচলিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লংঘন করে দেদারসে তামাকের বিজ্ঞাপন প্রচার করছে।

তামাকপণ্যের সহজলভ্যতা ও হাতের নাগালে পাওয়ায় শিশু-কিশোর তথা যবুসমাজ তামাকে আসক্ত হয়ে দেশে একটি অসুস্থ সমাজ তৈরী হচ্ছে, পূর্বের তুলনায় বর্তমানে পাবলিক প্লেসে ধূপানের দৃশ্য উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এজন্য মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে পাবলিক প্লেসে ধূমপান কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও তামাকের অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রচারের দায়ে তামাক কোম্পানীসমূহকে জেল-জরিমানার আওতায় আনার জন্য জোর দাবী জানানো হয়।

হেলাল আহমেদ আরো বলেন,যেহেতু ধূমপান মাদকাসক্তির প্রথম ধাপ সেহেতু মাদকের মত বিড়ি-সিগারেটসহ সকল প্রকার তামাকপণ্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা উচিৎ। তামাকবিরোধী ঘোড়া গাড়ীর শোভাযাত্রাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে আরম্ভ হয়ে জাতীয় যাদুঘর হয়ে পূরনো ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন স্থানে তামাকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে লিফলেট-স্টিকার বিতরন করে। র‌্যালিতে ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট,ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি,এইড ফাউন্ডেশনসহ বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটভূক্ত বিভিন্ন সংগঠন অংশগ্রহণ করে।