banner

শেষ আপডেট ১৭ জুলাই ২০১৯,  ১০:৩৪  ||   বুধবার, ১৭ই জুলাই ২০১৯ ইং, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

পল্লী বিদ্যুৎ অনিয়ম পর্ব-০১ :; সাতকানিয়ায় নতুন মিটার সংযোগে পল্লী বিদ্যুতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে

পল্লী বিদ্যুৎ অনিয়ম পর্ব-০১ :; সাতকানিয়ায় নতুন মিটার সংযোগে পল্লী বিদ্যুতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে

২০ জুন ২০১৯ | ১৯:১৮ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • পল্লী বিদ্যুৎ অনিয়ম পর্ব-০১ :; সাতকানিয়ায় নতুন মিটার সংযোগে পল্লী বিদ্যুতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ সাতকানিয়া থানার কেরাণী হাট শাখার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃক গ্রাহক হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। কেরাণী হাট অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানাজার আবুল বাসারসহ সবাই নাকি ক্ষমতার অপ-ব্যবহার করছে । যার কারণে গ্রাহকের অভিযোগ শুনার মত কেউ নাই। সে সুবাধে তৈরী হয়েছে এক ধরণের দালাল প্রকৃতির লোক। যাদের মাধ্যমে গ্রাহকের সমস্যা সমাধান করতে নানা ধরণের উৎকোচ দিতে হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুতের নতুন মিটার সংযোগের সরকারী ফি মাত্র ৭৬৫ টাকা হলেও গ্রাহককে গুনতে হচ্ছে ৩৫০০/৪০০০টাকা। নুর মোহাম্মদ নামের এক ডিস ব্যবসায়ীর মাধ্যমে আবুল বাসার এই টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে । সাতকানিয়ায় সরকারের শতভাগ বিদ্যুৎ ব্যবহারের আওতায় আনার কারণে এখানে অনেক গুলো নতুন গ্রাহক সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক নতুন গ্রাহকে গুনতে হয়েছে বাড়তি ৩৫০০ টাকা।
এলাকার সাধারণ মানুষের দাবী পল্লী বিদ্যুতের উর্ধ্বতন মহলের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হউক। নুর মোহাম্মদ এর বিষয়ে সাতকানিয়া কেরাণী অফিসে যোগাযোগ করা হলে আবুল বাসার জানান, তিনি আমাদের ইলেকট্রিশিয়ান। তিনি মাঝে-মধ্যে আমাদের কাজ করে দেয়। পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড থেকে নিয়োগ প্রাপ্ত কোন কর্মচারী নয়।
সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা গেছে এই নুর মোহাম্মদই তার আওয়ায় কয়েকজন কর্মচারী রেখে প্রতিদিন পল্লী বিদ্যুতের কাজ করে যাচ্ছে। এতে গ্রাহকদের নানা ধরণের বেকায়দায় ফেলে দিয়ে নাকি গ্রাহককে হয়রানি করার অভিযোগ উঠছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নতুন গ্রাহক বলেন নতুন মিটার লাগানোর সময় নুর মোহাম্মদ আমার কাছ থেকে ৪০০০/- টাকা নিয়েছে। সরকারী ফি ৭৬৫ টাকা হলে বাকি টাকা ঘুষ ছাড়া আর কি। আবার ওয়ারিং করার জন্যও বাড়তি টাকা আমাকে গুনতে হয়েছে। আমি চাই বিষয়টি পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তদন্ত করে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করুক।
কে এই নুর মোহাম্মদ ?
মুদির দোকানদার থেকে ডিস ব্যবসা। ডিস ব্যবসায় উন্নতি হলে আস্তে আস্তে মুদির দোকানদারী ছেড়ে দেন। পুরোপুরি ডিস ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সাংসদ আবু রেজা’র সুপারিশে নাকি পল্লী বিদ্যুতের কাজে সাথে জড়িয়ে পড়েন। সেই থেকে সাংসদের নাম ভাঙ্গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের সাথে জড়িয়ে আছেন। মুলত ডিস ব্যবসায় পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি ব্যবহার করার জন্য আবুল বাসারের সাথে সর্ম্পক তৈরী করা। এই সর্ম্পক তৈরী করতে গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের মিটার ব্যবসার সাথে ফিফটি ফিফটি ভাগাভাগি করে এখানো আছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে না দেখলে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সেবা ভেঙ্গে পড়বে। দ্বন্দ-সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে এলাকার লোক-জন।
চলবে ….