banner

শেষ আপডেট ২০ অক্টোবর ২০১৯,  ২১:১৬  ||   রবিবার, ২০ই অক্টোবর ২০১৯ ইং, ৫ কার্তিক ১৪২৬

তামাকের উপর স্পেসিফিক ট্যাক্স সিস্টেম চালু করার দাবী–ড. নাসিরউদ্দিন

তামাকের উপর স্পেসিফিক ট্যাক্স সিস্টেম চালু করার দাবী–ড. নাসিরউদ্দিন

১৫ জুন ২০১৯ | ১৮:৫৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • তামাকের উপর স্পেসিফিক ট্যাক্স সিস্টেম চালু করার দাবী–ড. নাসিরউদ্দিন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাতপণ্যের উপর শতভাগ কর বাড়ানোর দাবীতে মোটরসাইকেল র‌্যালী। আজ ১৫ জুন,শনিবার ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হইতে জাতীয় প্রেস ক্লাব পর্যন্ত ‘প্রত্যাশা’ মাদক বিরোধী সংগঠন এর উদ্যোগে প্রস্তাবিত বাজেটে শতভাগ কর বাড়ানোর দাবীতে এক বর্ণাঢ্য তামাকবিরোধী মোটর সাইকেল র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘প্রত্যাশা’ মাদক বিরোধী সংগঠন-এর সাধারন সম্পাদক হেলাল আহমেদের সভাপতিত্বে   তামাক বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড.নাসির উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক ছটকু আহমেদ,আরো উপস্থিত ছিলেন সি টি এফ কে’র শরীফুল ইসলাম, আঃ সালাম,আতাউর রহমান মাসুদ,শারফুদ্দিনআহমেদ,ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের অনন্যা রহমান,মাদকবিরোধী ফেডারেশনের আশরাফুল আলম কাজল,গোলামকাদির,জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত সমাজবেক জাকির হোসেন প্রমখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এন বি আর-এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দিন তামাকের উপর জটিল বিভিন্ন স্তরের পরিবর্তে স্পেসিফিক ট্যাক্স সিস্টেম চালু করার জোরদাবী জানান। প্রস্তাবিত ২০১৯-২০২০ বাজেটে তামাকজাত পণ্যের উপর যে পরিমাণ কর বৃদ্ধি করা হয়েছে তা শুভংকরের ফাঁকি বলে মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন,দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে তামাকের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত করতে তামাকের উপর কর প্রথা সহজ করাসহ সকল প্রকার তামাকজাত দ্রব্যের উচ্চ হারে করারোপের দাবী জানান।

‘প্রত্যাশা’ মাদক বিরোধী সংগঠনের সাধারন সম্পাদক হেলাল আহমেদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে একটি শক্তিশালী তামাক শুল্ক-নীতি গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করলেও উক্ত নির্দেশনার কোন প্রতিফলন প্রস্তাবিত বাজেটে নেই, যা সার্বিকভাবে তামাক বিরোধীদের জন্য চরম হতাশাজনক।শূন্য

তামাক কোম্পানীর চাপে সরকার নামেমাত্র বিড়ি-সিগারেটের উপর কর বৃদ্ধি করেছে, যাতে প্রকৃতভাবে তামাককোম্পানী লাভবান হবে। ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটপ্রতি মাত্র ২টাকা বৃদ্ধি দেশীয় ও বহুজাতিক তামাক কোম্পানীগুলোকে এদেশে তাদের তামাকের মরণ ব্যবসা চালাতে উৎসাহ যোগাবে, পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিড়ি-সিগারেটের দাম অত্যন্ত কম হওয়ায় টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রি’র টিন-এজারদের টার্গেট করে তাদের মৃতূব্যবসার মার্কেট প্রসারের সে যাগ আরো প্রসারিত হবে,যার ফলে শিশু-কিশোররা তাদের পকেটমানি থেকে তামাক পণ্যকিনে মরণব্যধীতে আক্রান্ত এবং দেশে অসুস্থ ও মেধা শূন্য জাতি তৈরী হবে বলে মনে করেন। এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে প্রক্রিয়াজাত ও অপ্রক্রিয়াজাত তামাকচাষে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদানের ফলে দেশে ব্রিটিশ আমলের নীল চাষের মত বিদ্যমান তামাকচাষ আরো বেশী এলাকায় সম্প্রসারিত হবে এবং দেশে খাদ্যঘাটতির আশংকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি অবিলম্বে সারাদেশে তামাকচাষ নিষিদ্ধ এবং তামাক চাষীদের অন্য পেশায় শিফটের জন্য প্রয়োজনীয় প্রণোদনা/সাবসিডি’র দাবী জানান।

“কর বাড়ান তামাকের-জীবন বাঁচান আমাদের” শীর্ষক বিভিন্ন স্লোগানসমৃদ্ধ ব্যানার-ফেস্টুন-প্ল্যাকার্ড-রং বেরংয়ের পতাকা-টি শার্ট-ক্যাপ পড়ে নারী-পুরুষরা শতাধিত মোটরসাইকেল বহর নিয়ে তামাকবিরোধী মোটর সাইকেল র‌্যালিটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হয়ে দোয়েল চত্বর-সচিবালয়-তোপখানা মোড়-জাতীয় প্রেস ক্লাব হয়ে পুরনো ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূন্ন  সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওয়ারী এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।