banner

শেষ আপডেট ২০ অগাস্ট ২০১৯,  ২১:৩৬  ||   বুধবার, ২১ই আগষ্ট ২০১৯ ইং, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

ওসি মোয়াজ্জেম যতটুকু অপরাধ করেছেন, এর জন্য তাকে শাস্তি পেতেই হবে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ওসি মোয়াজ্জেম যতটুকু অপরাধ করেছেন, এর জন্য তাকে শাস্তি পেতেই হবে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৯ জুন ২০১৯ | ১৯:২৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ওসি মোয়াজ্জেম যতটুকু অপরাধ করেছেন, এর জন্য তাকে শাস্তি পেতেই হবে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অপরাধ যেই করুক না কেন, তার বিচার হবে বলে হুশিয়ার করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার জন্য সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন যতটুকু অপরাধ করেছেন, এর জন্য তাকে শাস্তি পেতেই হবে। তার রক্ষা নেই।আজ রোববার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপরাধীদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, অপরাধের সঙ্গে যেই জড়িত হোক না কেন, তাকেই সাজা পেতে হবে। সে ওসি হোক কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হোক- আর জনপ্রতিনিধি হোক।

ওসি মোয়াজ্জেমের পালিয়ে থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নুসরাত জাহানকে হত্যার ঘটনায় মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। চার্জশিটে তার নামও এসেছে। পালিয়ে গেলে খুঁজে পেতে হয়তো একটু সময় লাগবে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে। তিনি রেহাই পাবেন না। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে।

এদিকে গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে এক সপ্তাহ ধরে লুকোচুরির পর এখন পুলিশ বলছে, ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন পালিয়ে গেছে। ফেনী ও রংপুর দুই জায়গার পুলিশই গ্রেফতারি পরোয়ানা হাতে পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল গত ২৭ মে পরোয়ানা জারি করেন। ৩১ মে পরোয়ানার চিঠি ফেনীর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পৌঁছায়।

এবার ঈদে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ ভালো ও সন্তোষজনক ছিল উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটিতে কোথাও চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই হয়নি। এমন কোনো খবর আমরা পাইনি। মলম পার্টির দৌরাত্ম্যও চোখে পড়েনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ সজাগ ও তৎপর ছিল।

একজন পাইলটের পাসপোর্ট ছাড়া বিমান নিয়ে অন্য দেশে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। যতটুকু জানি একজনকে বরখাস্তও করা হয়েছে। তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। তবে পাইলটদের পাসপোর্ট ছাড়াও একটি স্বতন্ত্র পাস থাকে। যেটি দেখিয়ে তারা বিমানবন্দর ত্যাগ করতে পারেন। তদন্তের পরই সবকিছু পরিষ্কার হবে