banner

শেষ আপডেট ২০ অগাস্ট ২০১৯,  ২১:৩৬  ||   বুধবার, ২১ই আগষ্ট ২০১৯ ইং, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা

নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা

১ জুন ২০১৯ | ২১:০৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা

’বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরু কিউদের। নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা। কিউই পেসারদের বোলিং তোপে মাত্র ১৩৬ রানেই গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা। জবাবে, ১৬.১ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে কিউইরা। গতবারের রানার্সআপরা ১০ উইকেটে জিতে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো। সেটিও আবার ২০৩ বল হাতে রেখেই।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড দলপতি কেন উইলিয়ামসন। কিউই বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৯.২ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে লঙ্কানদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৬ রান। দলপতি দিমুথ করুনারত্নে ছাড়া বলার মতো আর কেউ রান করতে পারেননি।

আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে তিনটায় কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেন্সে শুরু হয় ম্যাচটি। লঙ্কানদের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন লাহিরু থিরিমান্নে এবং দিমুথ করুনারত্নে। ইনিংসের প্রথম ওভারেই বিদায় নেন থিরিমান্নে। তিন নম্বরে নামা কুশল পেরেরা খেলেন ২৯ রানের ছোটো একটি ইনিংস। লঙ্কানদের মিডলঅর্ডার পুরোই ব্যর্থ। কুশল মেন্ডিস (০), ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা (৪), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ (০), জীবন মেন্ডিস (১) বিদায় নেন খুব দ্রুতই।

স্রোতের বিপরীতে ২৩ বলে দুই ছক্কায় ২৭ রান করেন থিসারা পেরেরা। ইসুরু উদানাও ফেরেন ০ রানে। সুরাঙ্গা লাকমলের ব্যাট থেকে আসে ৭ রান। উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রাখেন দলপতি করুনারত্নে। ৮৪ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। লাসিথ মালিঙ্গা করেন ১ রান।

ম্যাট হেনরি তিনটি, লুকি ফার্গুসন তিনটি করে উইকেট তুলে নেন। একটি করে উইকেট পান ট্রেন্ট বোল্ট, মিচেল স্যান্টনার, জিমি নিশাম এবং কলিন ডি গ্রান্ডহোম।

১৩৭ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নামেন ওপেনার মার্টিন গাপটিল এবং কলিন মুনরো। দুজনই ফিফটি তুলে নেন। মার্টিন গাপটিল ৫১ বলে আটটি চার আর দুটি ছক্কায় করেন অপরাজিত ৭৩ রান। আর কলিন মুনরো ৪৭ বলে ছয়টি চার আর একটি ছক্কায় করেন অপরাজিত ৫৮ রান।

ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের বিচার করলে নিউজিল্যান্ডের মতো দল খুঁজে পাওয়া বেশ মুশকিল। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে ঠিক যেন নিজেদের মেলে ধরতে পারে না কিউইরা। ১৯৭৫ সালের প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০১৯ সালের ১২তম বিশ্বকাপ পর্যন্ত সব গুলোতেই অংশ গ্রহণ করেছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। খেলেছে সর্বোচ্চ সংখ্যক ছয় সেমি ফাইনাল এবং একটি ফাইনালও। সপ্তমবারের চেষ্টায় বিশ্বকাপের মঞ্চে ফাইনাল খেলে ২০১৫ সালে। তবে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ শিরোপা অধরাই থেকে যায় কিউইদের।

অন্যদিকে সাম্প্রতিককালে বেশ খারাপ অবস্থা পার করছে লঙ্কান ক্রিকেট। ২০১৫ বিশ্বকাপের পর কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, দিলশানসহ কিছু ক্রিকেটার অবসর নেওয়ার পরে ভেঙে পড়ে লঙ্কান ক্রিকেটের স্তম্ভ। তবে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দল। বিশ্বকাপ জয়ের পর আরও দুইবার ২০০৩ এবং ২০০৭ সালে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলে শ্রীলঙ্কা। তবে অস্ট্রেলিয়ার কাছে দু’বারই হেরে রানার্স আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।