banner

শেষ আপডেট ২৬ অগাস্ট ২০১৯,  ১০:৪৮  ||   সোমবার, ২৬ই আগষ্ট ২০১৯ ইং, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

তৃণমূলের নেতারা যোগ দিলেন মোদির বিজেপিতে

তৃণমূলের নেতারা যোগ দিলেন মোদির বিজেপিতে

২৮ মে ২০১৯ | ২১:৩৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • তৃণমূলের নেতারা যোগ দিলেন মোদির বিজেপিতে

নরেন্দ্র মোদির বিজেপিতে যোগ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়। একই সঙ্গে আরো দুই বিধায়কসহ চারটি পৌরসভার প্রায় ৫০ জন কাউন্সিলরও তাদের শিবির বদল করলেন।

উত্তর চব্বিশ পরগনার ভাটপাড়া, নৈহাটি, কাচরাপাড়া এবং হালিশহর পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররা দলবদল করেছেন। বেশির ভাগ কাউন্সিলর শিবির বদল করায় এই চারটি পৌরসভার দখল বিজেপির হাতে চলে আসবে বলে দাবি মুকুলের।

এদিন দল বদল করেছেন বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তুষারকান্তি ভট্টাচার্য এবং হেমতাবাদের বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়। বিজেপি নেতা মুকুল রায় এবং কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের উপস্থিতিতে তাঁরা বিজেপিতে যোগদান করেন।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম এনডিভির খবরে বলা হয়, সাংবাদিকদের কৈলাশ বলেন, ‘বাংলার একটি সভায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন ৪০ জন তৃণমূল বিধায়ক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তখন তৃণমূল থেকে বলা হয়েছিল বিধায়ক তো দূরের কথা, একজন কাউন্সিলরও দল বদল করবেন না। কিন্তু এখানে ৫০ জনের বেশি কাউন্সিলর আছেন। বিধায়ক আছেন তিন জন। পরের মাস থেকে আরো অনেকে যোগ দেবেন বিজেপিতে। বাংলায় সাত দফায় নির্বাচন হয়েছিল। পরের মাসে আমরাও সাত দফায় যোগদান কর্মসূচি পালন করব।’

এই সাংবাদিক সম্মলেন থেকেই মুকুল আরো বলেন, ‘তৃণমূলের আরো অনেকে বিজেপিতে আসতে চাইছেন। তাঁরা সবাই তৈরি। তবে কৈলাশ জানান সবাইকে নেওয়া হবে না। বেছে বেছে দলে নেবে বিজেপি।’

এদিকে এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল। দলের নেতা ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, ‘একটি দল কিছু আসন পেয়েছে বলেই সেখানে যারা যোগদান করছে তারা আদর্শের রাজনীতি করে না। আদর্শ থাকলে জীবনে তাঁরা তা করত না।’

অন্যদিকে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘এই যোগদান মানসিক ভাবে যোগদান করা নয়। ওটা আলাদা জিনিস আর রিভলভারের ভয়ে যোগদান করা আরেক জিনিস। আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। আমরা কী করতে পারি সেটা ২০২১ সালে দেখিয়ে দেব।’