banner

শেষ আপডেট ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯,  ২৩:১৫  ||   রবিবার, ২২ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং, ৭ আশ্বিন ১৪২৬

চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রী-সন্তানকে ঈদের জামা কাপড় কিনে দিতে এসে জামাই শিকল বন্ধি

চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রী-সন্তানকে ঈদের জামা কাপড় কিনে দিতে এসে জামাই শিকল বন্ধি

২৮ মে ২০১৯ | ২১:০৫ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রী-সন্তানকে ঈদের জামা কাপড় কিনে দিতে এসে জামাই শিকল বন্ধি

সালেকিন মিয়া সাগর,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে মেয়েকে নির্যাতনের অভিযোগে সোমবার সকালে জামাইকে শিকলবন্দী করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
শিকলবন্দী সোহরাব হোসেন মহেশপুরের শ্যামকুড় গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে।
সোহরাব বলেন, সপ্তাহখানেক আগে মোবাইলে রিচার্জ দেয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে স্ত্রীকে চড় দেই। এতে সে পড়ে গিয়ে হাতে আঘাত পায়। তারপর সে রাগ করে বাবার বাড়ি চলে আসে। আমি রোববার সন্ধ্যায় স্ত্রী-সন্তানকে ঈদের জামাকাপড় কিনে দিতে আসি। তখন আমার শ্যালক ও মামা শ্বশুর আমাকে লোহার শেকল দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে।
সোহরাবের স্ত্রী নিলা জানান, সাত বছর আগে সোহরাবের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। বিয়ে পর থেকেই নানা অজুহাতে তাকে মারধর করতেন সোহরাব। এ পর্যন্ত পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও স্বামীর সংসারে সুখী হতে পারেননি। কয়েকদিন আগে মোবাইলে ১০ টাকা রিচার্জ করা নিয়েও সোহরাব তাকে মেরে হাত ভেঙে দিয়েছেন বলে অভিযোগ নীলার।
সোহরাবের অভিযুক্ত মামা শ্বশুর মসলেম উদ্দিন বলেন, আমরা সোহরাবকে মারধর করিনি। আমার ভগ্নিপতি বিদেশে থাকেন। বাড়িতে কোনো পুরুষ না থাকায় সোহরাব নীলার সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে এ বাড়িতে এসে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তাই আমরা তাকে আটকে রেখেছি। তার বাবা-মাকে খবর দিয়েছি। তারা এলে সোহরাবকে তাদের হাতে তুলে দিব।
জীবননগর থানার ওসি শেখ গনি মিয়া বলেন, এ ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।