banner

শেষ আপডেট ২৫ জুন ২০১৯,  ২৩:১৬  ||   বুধবার, ২৬ই জুন ২০১৯ ইং, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

যানজট ও জলজটে নাকাল বাকলিয়াবাসী–ডাঃ শাহাদাত হোসেন

যানজট ও জলজটে নাকাল বাকলিয়াবাসী–ডাঃ শাহাদাত হোসেন

২৬ মে ২০১৯ | ২২:১৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • যানজট ও জলজটে নাকাল বাকলিয়াবাসী–ডাঃ শাহাদাত হোসেন

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রাম নগরী বাস অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ৫ হাজার ৬ শ কোটি টাকার প্রকল্প ৩ বছরের মধ্যে হলেও ২ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও প্রকল্প লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও বাস্তবায়ন হয় নাই। যার ফলে জলাবদ্ধতা দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না নগরবাসী।তিনি আজ ২৬ মে রবিবার নগরীর বাকলিয়া কালামিয়া বাজার সংলগ্ন সিলভার প্যালেস কমিউনিটি সেন্টারে চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের আওতাধীন ১৯ নং দক্ষিণ বাকলিয়া ও ১৮ নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

চাক্তাই হচ্ছে চট্টগ্রামের বাণিজ্যের মূল কেন্দ্র, একটু বৃষ্টি হলে কোমর পরিমাণ পানিতে তলিয়ে যায়। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হলেও বছরে বছরে জলাবদ্ধতার প্রকোপ বাড়ছে যা ব্যবসাকে হুমকিতে ফেলেছে। দশক দশক ধরে প্রতিবছরই জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। চট্টগ্রামের এই সমস্যা নিয়ে সকলে উদ্বিগ্ন। কিন্তু সমাধানের জন্য প্রকৃত বা কার্যকর উদ্যোগ নেই। এই সঙ্কট থেকে পরিত্রাণে জাতীয় পর্যায় থেকে উদ্যোগ নিতে হবে।

ডাঃ শাহাদাত বলেন, কয়েক দশক ধরে এ দুর্ভোগ চলে আসলেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রচেষ্টা সীমিত। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সার্ফেস ড্রেন, স্যুয়ারেজ লাইন ও নগরের অভ্যন্তরে খাল-নালা অধিকাংশ ভরাট হয়ে গেছে। এ অবস্থায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বৃষ্টি হলেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। খোঁড়াখুঁড়ির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভাঙ্গা রাস্তয় চলাচল করতে গিয়ে নগরবাসীকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। যানজট ও জলজটে নাকাল বাকলিয়াবাসী।

ডাঃ শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার আদর্শ ও কর্ম দিয়ে এদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে উপহার দিয়েছেন সোনার বাংলাদেশ। শত ষড়যন্ত্র করেও তার নাম মুছে ফেলা যাবে না।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, ক্ষমতাসীন ভোট ডাকাত সরকার সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক কারণে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আটকে রেখেছে। কারণ দেশনেত্রী হলেন গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপোষহীন। তাকে আটকে রেখে তারা এদেশের গণতন্ত্রকে ভূলুণ্ঠিত করে স্বৈরাচার সরকার বাস্তবায়নের অপচেষ্টায় লিপ্ত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, এই বাকলিয়ার মাটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঘাঁটি। এই এলাকার ৯০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দেয়। যদি বিগত ৩০ ডিসেম্বর নির্দলীয় নিরপেক্ষ অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট হত চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন জেলখানা থেকেই বাকলিয়াবাসীর বিপুল ভোটে জয়ী হতো। কিন্তু একদলীয়ভাবে নির্বাচনের কারণে বাকলিয়ার কোন মানুষ নির্বাচনী কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে নাই।

দক্ষিণ বাকলিয়া বিএনপির সভাপতি হাজী নবাব খানের সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম ও হাজী মহিউদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, যুগ্ম সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইসাহাক চৌধুরী আলিম, সম্পাদকবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এম আই চৌধুরী মামুন, বাকলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফতাবুর রহমান শাহীন, নগর বিএনপির সহসম্পাদক হাসেম সওদাগর, মো. শাহজাহান, নগর বিএনপির সদস্য আলী ইউসুফ, রেজিয়া বেগম মুন্নি, শাহেদা বেগম, মো. ইউসুফ, থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর, আরো উপস্থিত ছিলেন ১৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ছগীর, ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সেকান্দর, হাজী এমরান উদ্দিন, হাজী ইউনুস, মো. সাইফুল, মো. জসিম, আশাদুর রহমান টিপু, সালাহ উদ্দিন বাসু, মোস্তাকিম, নুরুদ্দিন পমুখ।