banner

শেষ আপডেট ২০ নভেম্বর ২০১৯,  ২০:৫৫  ||   বুধবার, ২০ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

১৭ মে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম জয়ের দুই দশক পূর্তির দিন

১৭ মে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম জয়ের দুই দশক পূর্তির দিন

১৮ মে ২০১৯ | ১৯:৩২ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৭ মে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম জয়ের দুই দশক পূর্তির দিন

গত ১৭ মে। টাইগারদের জন্য পয়মন্ত একটি তারিখ। এদেশের ক্রিকেটের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক তারিখও বটে। ২০ বছর আগে এই তারিখেই ইতিহাসে নাম লিখিয়েছিল বাংলাদেশ। ১৯৯৮ সালের ১৭ মে হায়দরাবাদে কেনিয়াকে হারিয়ে নিজেদের প্রথম ওয়ানডে জিতেছিল টিম টাইগার। আর ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম জয়ের দুই দশক পূর্তির দিনে গতকাল ১৭ মে টাইগাররা জিতল প্রথম ওয়ানডে টুর্নামেন্ট। কী অসধারণ কাকতাল! সেটাও আবার ৬টি ফাইনাল খেলার পর এল প্রথম শিরোপা। দেশ তাই ভাসছে বাঁধভাঙা আনন্দে।

হায়দরাবাদের লাল বাহাদুর শাস্ত্রী স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল কেনিয়া এবং আকরাম খানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। বাংলদেশের ক্রিকেটের অগ্রযাত্রার রূপকার গর্ডন গ্রিনিজ ছিলেন তখন জাতীয় দলের কোচ। বিখ্যাত স্পিন তারকা মোহাম্মদ রফিক সেদিন ৩ উইকেট নিয়েছিলেন। তারপর দারুণ ব্যাটিং করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেন তিনি। ২টি করে উইকেট নিয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন এবং এনামুল হক। এতেই কেনিয়া থেমে যায় ২৩৬ রানে। বাংলাদেশ তখনই জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। এই জয়ের পেছনে কোচ গ্রিনিজের দারুণ একটি কৌশল শতভাগ কাজে দিয়েছিল।

স্পিনার হলেও রফিক নিচের দিকে দারুণ ব্যাট করতেন। বাঁ হাতি অলরাউন্ডারের মারকাটারি ব্যাটিংয়ের সুবিধা পেতে পাকা জহুরি গর্ডন গ্রিনিজ সেদিন তাকে তুলে আনেন ওপেনিংয়ে। আতহার আলী খানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে রফিক খেলেন ইনিংসের সর্বোচ্চ ৮৭ বলে ১১ চার ১ ছক্কায় ৭৭ রানের ইনিংস। তবে ছক্কাটা গ্রিনিজের পছন্দ হয়নি। তিনি ডাগ আউট থেকে ইশারায় রফিককে ইনিংস লম্বা করতে বলেন। অন্যপ্রান্তে আহতার ৪৭ রান করলে ওপেনিং জুটিতে আসে ১৩৭ রান। যেটি এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে বাংলাদেশের নবম সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি। এরপর আকরাম খানের ৩৯ রানে ৬ উইকেট এবং ১২ বল হাতে রেখে প্রথম জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ।

আর গতকালের গল্পটা তো সবার জানাই। আয়ারল্যান্ড এবং উইন্ডিজকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথমবারের মতো অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। উইন্ডিজের বিপক্ষে ফাইনালে বৃষ্টি এসে বাগড়া দেয়। তবে ম্যাচ বাতিল হতে পয়েন্টে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশই চ্যাম্পিয়ন হতো। কিন্তু বিধাতা অন্যকিছুই ভেবেছিলেন। প্রথম জয় যখন আসবেই, তখন বীরের বেশেই আসুক। তাই কর্তিত ওভারের ম্যাচে ২১০ রানের বড় টার্গেট তাড়া করে ৫ উইকেটে জিতল বাংলাদেশ। যে জয়ের নায়ক দুই তরুণ তারকা সৌম্য সরকার এবং মোসাদ্দেক হোসেন।