banner

শেষ আপডেট ১৭ জুলাই ২০১৯,  ২১:১৯  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৮ই জুলাই ২০১৯ ইং, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

অবৈধ পার্কিং : শেখ মুজিব সড়কে যানজট , ভোগান্তি চলাচলকারীদের

অবৈধ পার্কিং : শেখ মুজিব সড়কে যানজট , ভোগান্তি চলাচলকারীদের

১৪ মে ২০১৯ | ২১:০০ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • অবৈধ পার্কিং : শেখ মুজিব সড়কে যানজট , ভোগান্তি চলাচলকারীদের

বিশ্বজিৎ পাল : প্রতিদিনই নিয়মিত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে বন্দর নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শেখ মুজিব সড়কে। সড়কের দুই পাশে থাকা মোটর পার্টসের দোকানগুলোকে কেন্দ্র করে অবৈধ পার্কিং এর কারণে নিয়মিত এ যানজটের হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এই সড়কে চলাচল করা যাত্রীদের।
সরেজমিনে গিয়ে এ সড়কের উভয় পাশে একাধিক লাইনে গাড়ি পার্কিং করে গাড়ি মেরামত ও মোটরপার্টস ক্রয় বিক্রয়ের সত্যতা পাওয়া যায়। সড়কের দেওয়ান হাট থেকে চৌমুহনী মোড় পর্যন্ত একাধিক লাইনে গাড়ি পার্কিং, কোথাও কোথাও আড়াআড়ি পার্কিং এর দৃশ্য দেখা যায়।

গাড়ি পার্কিং এ রাখা মন্নান নামে এক চালকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, গাড়ির যাবতীয় মেরামত এখান থেকেই করেন তিনি। এখানে গাড়ি মেরামত করাতে হলে রাস্তার এক পাশে গাড়ি পার্কিং না করে উপায় নেই। তাই তিনি এখানে গাড়ি পার্কিং করেছেন। তবে এ বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি নন এখানকার দোকানগুলোতে থাকা লোকজন। তারা নিজেদের কর্মচারী পরিচয় দিয়ে মালিক দোকানে নেই বলে জানান। পাশাপাশি এ বিষয়ে তারা কোন মন্তব্য করতে পারবে না বলে জানান।
সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের(বন্দর) ডবলমুরিং জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর অচ্যুত কুমার দাশ বলেন, এখানে এক লাইনে পার্কিং করার অনুমতি আছে। পাঁচ বছর আগে ব্যবসায়ীরা এই অনুমতি নিয়েছেন। তবে মাঝেমাঝে অনেকেই নিয়ম ভেঙে গাড়ি পার্কিং করে।

এ বিষয় স্বীকার করে তিনি বলেন, নিয়মিত অবৈধ পার্কিং করা হলে ব্যবস্থা নেয়া হয়।
তবে অভিযোগকারীরা বলছেন, এ সড়কের দুই পাশে দেওয়ানহাট থেকে চৌমুহনী পর্যন্ত বেশির ভাগই মোটর পার্টসের ও মোটরগাড়ি মেরামতের দোকান। সেই দোকানগুলো থেকে মোটরপার্টস কিনতে আসা ও গাড়ি মেরামত করতে আসা লোকজন কোন নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করে রাস্তার উপরেই অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করেন। এছাড়া রাস্তার উপরে জায়গা দখল করে সেখানেই গাড়ি মেরামত করা হয়। এতে রাস্তার বেশিরভাগ অংশই চলে যায় তাদের অবৈধ দখলে। আর এ কারণে প্রতিদিনই এ সড়কে ভয়াবহ যানজট হচ্ছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রী ও পথচারীদের।