banner

শেষ আপডেট ২০ অক্টোবর ২০১৯,  ২১:১৬  ||   রবিবার, ২০ই অক্টোবর ২০১৯ ইং, ৫ কার্তিক ১৪২৬

৬১ শতাংশ রেস্তোরাঁর মালিক তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে অবগত

৬১ শতাংশ রেস্তোরাঁর মালিক তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে অবগত

১৫ এপ্রিল ২০১৯ | ২০:০৬ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ৬১ শতাংশ রেস্তোরাঁর মালিক তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে অবগত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : দেশের ৬১ শতাংশ রেস্তোরাঁর মালিক তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে অবগত। ৬৩ শতাংশ রেস্তোরাঁয় ধূমপান-বিরোধী সাইন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয় এবং এদের মাঝে ৪৩ শতাংশ সাইনসমূহ বাংলাদেশ তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের নির্দেশাবলী অনুসরণ করে।বাংলাদেশের রেস্তোরাঁয় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নের চিত্র সংক্রান্ত জরীপের প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ এ সকল তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ৭.৫ শতাংশ রেস্তোরাঁয় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে ধারণা থাকা সত্ত্বেও ধূমপানের সুবিধা দেয়া হয়। এ ছাড়াও ৮২.৯ শতাংশ রেস্তোরাঁর মালিক জানেন যে রেস্তোরাঁসমূহকে পাবলিক প্লেস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে চলার জন্য কয়েকটি সুপারিশের কথা তুলে ধরে ইকবাল মাসুদ বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার বিভাগের কার্যালয়ে অধিক সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। এ ছাড়াও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ও তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভয়েজের হেড অব প্রোগ্রাম আজমল হোসেন, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের প্রোগ্রাম অফিসার আমিনুল ইসলাম সুজন, এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক নাদিরা কিরন, দ্যা ভাইটাল স্ট্রাটেজির কান্ট্রি ম্যানেজার নাসিরউদ্দিন, নাটাবের নির্বাহী পরিচালক কামাল উদ্দিন এবং দ্যা ইউনিয়নের টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট মাহবুবুল আলম তাহিন।

এছাড়াও ক্যাম্পেইন ফর টোক্যাকো ফ্রি কিড্স, ডাবলিউ বি বি ট্রাস্ট, গ্রাম বাংলা , টিসিআরসি এবং অন্যান্য তামাক বিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ গবেষনা প্রতিবেদনের উপর মতামত প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের হেল্থ সেক্টর এর তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির গবেষণা কার্যক্রমের আওতায় রেস্তোরাঁসমূহে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের অনুসরণ করার মানদন্ড দেখার জন্য দেশব্যাপী পরিচালিত হয় এই জরীপ কার্যক্রম। দেশের আটটি বিভাগের ১৬ জেলার ৩৭২ জন রেস্তোরাঁ মালিকপক্ষ অংশগ্রহণ করেন এই কার্যক্রমে।