banner

শেষ আপডেট ১৭ জুলাই ২০১৯,  ২১:১৯  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৮ই জুলাই ২০১৯ ইং, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

বিপুল অস্ত্র নিয়ে দূদর্ষ সন্ত্রাসী মুকুল আটক

বিপুল অস্ত্র নিয়ে দূদর্ষ সন্ত্রাসী মুকুল আটক

১২ এপ্রিল ২০১৯ | ২০:১১ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • বিপুল অস্ত্র নিয়ে দূদর্ষ সন্ত্রাসী মুকুল আটক

লিটন কুতুবী,কুতুবদিয়া : দূদর্ষ সন্ত্রাসী মুকুল বাহিনীর প্রধান মুকুল (৫৪) বিপুল অস্ত্র নিয়ে গত বুধবার রাতে পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। সে আটক হওয়ার পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের তার স্বীকারোক্তি মতে লেমশীখালী দরবার ঘাট এলাকায় বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে একটি আগ্নেয়া¯ ও বড়ঘোপ ইউনিয়নের রোমাইপাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধের পাশের একটি ঘর তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাইন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। কুতুবদিয়া থানার এস.আই মাইন উদ্দিন সঙ্গীয় পোর্স নিয়ে তাকেসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলি উদ্ধার করে।
তার বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানাসহ উপকূলের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি,অপহরণ, অস্ত্র,চাদাঁবাজিসহ এক ডজন মামলা রয়েছে বলে কুতুবদিয়া থানার ওসি মুহাম্মদ দিদারুল ফেরদাউস এ প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেন।
তিনি আরো জানান, ২০১৭ সনে ২১ জুন দিবাগত রাতে ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর কক্সবাজারের কোম্পানী কমান্ডার মেজর রুহুল আমিনের নেতৃত্বে কুতুবদিয়াস্থ কৈয়ারবিল ইউনিয়নের পরান সিকদার পাড়ার জাবের আহমদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৯টি আগ্নেয়ান্ত্র ও ৬শ তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে। এ সময় র‌্যাবের হাতে ঐ বাড়ির জাবের আহমদের ছেলে মুকুল অস্ত্রসহ হাতে নাতে আটক হয়। বিগত ২০১৭ সনের ২২জুন র‌্যাবের কোম্পানী কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন বাদি হয়ে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনে কুতুবদিয়া থানায় মুকুলকে আসামী করে (৯) নং মামলা রুজু করে।
মুকুল বাহিনীর প্রধান মুকুল আটকের খবর পেয়ে বঙ্গোপসাগরে নির্যাতিত হওয়া জেলেদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অনেক জেলে ও সাধারণ নির্যাতিত লোক খুশিতে একে অপরকে মিস্টি খাওয়াচ্ছে বলে নির্যাতিত বেলাল হোছাইন জানান।
কুতুবদিয়া থানার অপারেশন অফিসার জয়নাল আবেদীন জানান, একাধিক অস্ত্র নিয়ে আটক হওয়া মুকুলের বিরুদ্ধে কুতুবদিয়া থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়েছে।
মুকুলের হাতে নির্যাতিত মোঃ ইকবাল জানান, মুকুল ডাকাতি ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষকে মামলায় আসামী করার হুমকি দিয়ে মোটা অংকের চাদাঁ আদায় করতো। এমনকি পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে তার পোষ্য বাহিনীর লোক দিয়ে অভিযোগ করিয়ে ফাঁেন্দ ফেলে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে আসছে। তার বাহিনীর কুখ্যাত জলদস্যু ছালে আহমদ, ইসহাক মেম্বার, কালু, দিদার, মানিক,আজিজ, রুহুল আমিনসহ শতাধিক জলদস্যুকে নিয়ন্ত্রণ করে সাগরে নির্বিচারে ডাকাতি করে যাচ্ছে। ডাকাতির মালামালে টাকা সে চট্টগ্রামে বসেই নিজেই বন্টন ও ভোগ করে ।