banner

শেষ আপডেট ২০ মে ২০১৯,  ০০:১০  ||   সোমবার, ২০ই মে ২০১৯ ইং, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

তামাক কোম্পানীর অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালত

তামাক কোম্পানীর অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালত

১০ এপ্রিল ২০১৯ | ২০:০০ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • তামাক কোম্পানীর অবৈধ বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালত

 প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন অঞ্চল -৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসান এর নেতৃত্বে এবং ১ এপিবিএন উত্তরা পুলিশ আজ ১০ এপ্রিল  বুধবার, আগারগাওঁ শের-ই বাংলা নগর, শ্যামলী এবং রায়ের বাজার এলাকায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে তামাকজাত দ্রব্যের সকল ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার-প্রচারনা নিষিদ্ধ।

তামাক কোম্পানীর এই ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার-প্রচারনা প্রতিহত করার লক্ষ্যে সার্বিক বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন অঞ্চল -৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসান আগারগাওঁ শের-ই বাংলা নগর, শ্যামলী এবং রায়ের বাজার এলাকায় তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী ছোট, বড় এবং মাঝারি টং দোকানসহ যে সকল দোকানে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন রয়েছে তা অপসারনে অভিজান চালান।

বিশেষ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  ঢাকা টোব্যাকো কোম্পানীর মালবোরো ব্যান্ডের তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য শ্যামলী সিনেমা হল মার্কেট এর হাক্কনী তেজারত ষ্টোর ও রহিমা চা- স্টোর দুটি দোকান থেকে ছয় হাজার টাকা জড়িমানা আদায় ও বিজ্ঞাপন সম্বলিত শোকেস বক্সটি ধ্বংস করেন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  হাক্কনী তেজারত ষ্টোর ও রহিমা চা-ষ্টোর উভয় কতৃপক্ষকে সাবধান করে বলেন, যদি তারা একই অপরাধ পুনরায় করে তাহলে তাদের অর্থ জরিমানাসহ কারাদন্ড ভোগ করতে হবে।

অপরদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়ের বাজার এর জাফরাবাদ ও বৈশাখী খেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকার ফুটপাতের উপর অবস্থানরত ছোট-বড় ২০টি, টং দোকানের বিজ্ঞাপন ধ্বংসসহ ও ১০টি বিজ্ঞাপনের বক্স বা পয়েন্ট অব সেল ভেঙ্গে ফেলেন। এ সময় পরিস্থিতি বুঝতে পেয়ে টং দোকানগুলোর মালিক পক্ষ পালিয়ে যায় বিধায় আর্থিক জড়িমানা আদায় করা সম্ভব হয়নি।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় সহায়তায় ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল -৫ এর সেনিটারী ইন্সেপেক্টর মোঃ আব্দুল খালেক মজুমদার এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনকে উদ্বদ্ধুকরণের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় সহায়তা প্রদান করে থাকে।