banner

শেষ আপডেট ২০ অক্টোবর ২০১৯,  ২১:১৬  ||   রবিবার, ২০ই অক্টোবর ২০১৯ ইং, ৫ কার্তিক ১৪২৬

বঙ্গবন্ধুর সাধনা আর তা হচ্ছে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা– চবি ভিসি

বঙ্গবন্ধুর সাধনা আর তা হচ্ছে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা– চবি ভিসি

২০ মার্চ ২০১৯ | ২১:৩৬ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • বঙ্গবন্ধুর সাধনা আর তা হচ্ছে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা– চবি ভিসি

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বাল্যকাল ও কৈশোর থেকে সংগ্রাম শুরু করা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন একটিই সাধনা করেছেন-আর তা হচ্ছে বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা। তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠ করলেই বোঝা যায় কি অসীম সাহসী, গভীর স্বদেশ প্রেমিক, সুনিশ্চিত লক্ষ্যভেদী এবং জনদরদী এক ভূমিপুত্রের জন্ম হয়েছিলো এই অভাগা দেশে।
তিনি আরো বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী সারাদেশে যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হচ্ছে তাতে প্রমাণ হয় দেশবাসী একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র, সহিংসতা ও সন্ত্রাসের বিপক্ষে তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ঘোষিত দেশের বিভিন্ন স্থানে শত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় আজ ২০ মার্চ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের চট্টগ্রাম জেলার সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান বিশিষ্ট পেশাজীবী নেতা প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. সুলতান আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শংকর লাল সাহা, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সফিউল আলম, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহাবুবুর রহমান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এফ.এম আওরঙ্গজেব, কাতার মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জিয়া উদ্দিন জিয়া।
কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বায়েজিদ থানা নির্মূল কমিটি সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো. মঈনুদ্দীন, নির্মূল কমিটি জেলা নেতা অলিদ চৌধুরী, আবু সাদাত মো. সায়েম, প্রফেসর বকুল চন্দ্র চাকমা, ড. হাসান খালেদ রউফ, ড. মো. ইকবাল শাহীন খান, ড. মো. শাহীদুর রহমান, ড. এম শফিকুল আলম, ড. মো. হেলাল উদ্দিন, অধ্যক্ষ ফজলুল হক, ড. মোহাম্মদ কামরুল হুদা, ড. সনজীব কুমার ঘোষ, ড. মনির উদ্দিন, ড. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মিয়া, ড. মোহাম্মদ হারুণ-উর-রশীদ, ড. মো. নুরে আলম, ড. মো. হানিফ সিদ্দিকী, ড. খালেদ মিসবাহুজ্জামান, প্রফেসর ড. এ.কে.এম মঈনুল হক মিয়াজী, ড. লায়লা খালেদা, ড. মো. আবুল কাশেম, ড. মো. বশির আহম্মদ, পারভীন সুলতানা, গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, আনিসুল আলম, মো. মুজিবুর হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন, মো. ফরিদুল আলম চৌধুরী, মো. জাহাঙ্গীর আলম, খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট যারা কালো অধ্যায়ের সূচনা করেছিল তারা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেই সব শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু তারা জানত না তিনি ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়েই বাঙালি জাতির হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। বিশ্ব ইতিহাস থেকে তাঁকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।
আলোচনা সভা শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন ডিন-এর হাতে প্রতিকী ৩টি ফলদ বৃক্ষের চারা তুলে দেয়া হয়।