banner

শেষ আপডেট ২০ মে ২০১৯,  ২১:৩০  ||   মঙ্গলবার, ২১ই মে ২০১৯ ইং, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

সিটি মেয়র সকাশে ইইউ রাষ্ট্রদূত

সিটি মেয়র সকাশে ইইউ রাষ্ট্রদূত

১৩ মার্চ ২০১৯ | ২১:০১ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সিটি মেয়র সকাশে ইইউ রাষ্ট্রদূত

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ  ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেনজি তিরিংক আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। সাক্ষাতকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য উপদেষ্টা আবু সাইয়েদ মো. বেলাল, স্পেনের রাষ্ট্রদূত মি. আলবারো ডিসালাস, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মি. হেরি ভারুইজ, ইটালির রাষ্ট্রদূত মি. এনরিকো নুনজিয়াতা এবং চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব মো. আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমদ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিনিধি দলের নেতা তিরিংক বলেন বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের ক্ষেত্রে বড় উন্নয়নের অংশীদার। এই সময় ইইউ দূতের সাথে থাকা অন্যান্যরা বাংলাদেশের সমসাময়িক উন্নয়ন ও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার ভূয়শী প্রশংসা করেন।

প্রতিনিধিদলের নেতা বলেন, উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। পোশাক শিল্প, মৎস্য,জনশক্তি,কৃষি শিল্পাঞ্চলসহ বহু সেক্টরে উজ্জল ভবিষ্যত দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদকে মজবুত করতে সহায়ক ভুমিকা পালন করছে। তিনি আরো বলেন গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের পরিবর্তন লক্ষনীয় এবং এখানে উন্নত নগরায়ন ঘটেছে।

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর শহর এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, সাগর-নদী সবকিছু মানুষকে আকৃষ্ট করে। প্রতিনিধি দলের নেতা তিরিংক সিটি মেয়রের কাছে বর্তমান নগরীর চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে মেয়র বলেন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা,অপরিকল্পিত নগরায়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমান নগরের বড় সমস্যা।

তিনি বলেন ১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি মহা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ড্রেনেজ মাষ্টার প্লানসহ অপরাপর খাল সমূহ গভীর ও প্রশস্থ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দূর্যোগে চট্টগ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে। কর্ণফুলী নদী ভরাট, সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

মেয়র প্রতিনিধি দলকে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকা, ভূপ্রাকৃতিক অবস্থান, জনসংখ্যা নগরীর শিক্ষা কার্যক্রম,সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সেবা, নগর উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন ।

মেয়র বলেন, বর্তমানে একটি মাষ্টার প্লান্ট নবায়নের কাজ চলছ্ েএই পরিকল্পনায় চট্টগ্রাম নগরীকে একটি আন্তর্জাকি মানের বন্দর নগরী ও বাণিজ্যিক প্রানকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত দিক নির্দেশনা থাকবে বলে তিনি প্রতিনিধি দলের সদস্যদেরকে অবহিত করেন। এই প্রসঙ্গে প্রতিনিধি দলের নেতা তিরিংক অর্থনতির সুফল দেশের সকল মানুষের মধ্যে সমবন্টন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন প্রবৃদ্দির সুফল সকলের মধ্যে সুমম বন্টন নিশ্চিত না হলে দারিদ্র পুরোপুরি বিমোচন হবেনা। রাষ্ট্রদূত ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্য আয়ের দেশ এবং ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসির অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসার বাংলাদেশের ভিশন ও পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন বাংলাদেশের এটি হবে একটি ইতিহাস।