banner

শেষ আপডেট ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০,  ২০:৪৪  ||   রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং, ৫ আশ্বিন ১৪২৭

বাচ্চাদের শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে বাস করতে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার শেখানোর বিকল্প নেই–মোস্তাফা জব্বার

বাচ্চাদের শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে বাস করতে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার শেখানোর বিকল্প নেই–মোস্তাফা জব্বার

১১ মার্চ ২০১৯ | ২০:১২ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • বাচ্চাদের শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে বাস করতে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার শেখানোর বিকল্প নেই–মোস্তাফা জব্বার

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ আইসিটি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, অনেকে মনে করেন গেমস খেলে বাচ্চারা নষ্ট হয়। এটা সঠিক নয়। গেমস খেলে কেউ খারাপ হয় না। বাচ্চারা খারাপ হয় অভিভাবকদের অসচেতনতায় আর পারিপার্শ্বিকতার প্রভাবে। এখন যে প্রজন্ম বেড়ে উঠছে তাদেরকে শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর একটা সমাজে বাস করতে হবে। তার জন্য যোগ্য করে তুলতে তাদের ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার শেখানোর বিকল্প নেই। আজ সোমবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রামে নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সেসিপের আওতায় চট্টগ্রাম ই-লার্নিং মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করছে ইএটিএল।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহার ও গেমস খেলার সুযোগ দিতে হবে। আগামীর পৃথিবী হবে জ্ঞানভিত্তিক পৃথিবী। এখানে টিকে থাকার জন্য আমরা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পরামর্শ দিচ্ছি। আমাদের দায়িত্ব এখানেই শেষ নয়। জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণও তাদেরকে দিতে হবে। আধুনিক বিশ্বে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদেরকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অনেক সময় অভিভাবক নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের নিশ্চয়তা না থাকায় তাদের সন্তানদের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দিতে ভয় পান। আমি ইতোমধ্যে ২০ হাজার খারাপ সাইট বন্ধ করে দিয়েছি। আপনাদের নিশ্চিত করতে চাই আগামী ৬ মাসের মধ্যে আমরা এমন ব্যবস্থা নিব যাতে করে ছেলে-মেয়েরা চাইলেও খারাপ সাইটগুলোতে যেতে পারবে না। পাশাপাশি শিশুদের ডিজিটাল ডিভাইসে গেমস খেলতে দেয়ার আহবানও করেন তিনি।
মোস্তাফা জব্বার বলেন, ই-লার্নিংকে আমি আধুনিক প্রসেস বলে মানতে চাই না। ১৮৭০ সালে ইলেকট্রনিক যুগের সূচনা হয়েছে। এখন ২০১৯ সালে এসেও এটাকে আধুনিক বলার মানে হয় না। আমি এখন ডিজিটাল শিক্ষার প্রক্রিয়ার কথা বলতে চাই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আগামী ৫ বছর পর দেশে এমন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকবে না যেখানে কম্পিউটার ল্যাব থাকবে না। সবার হাতে ডিজিটাল ডিভাইস তুলে দেয়া হবে। ইতোমধ্যে সারাদেশে ৫৪৭ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা চালু করা হয়েছে জানিয়ে আগামী পাঁচ বছরে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই সুবিধার আওতায় আনার ঘোষণাও দেন তিনি।
এথিক্স এডভান্স টেকনোলজি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা আয়োজিত এই মেলায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আজিজ উদ্দিন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর প্রদীপ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সেসিপের পরামর্শক একেএম শামসুল হক, নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল আলম হোসাইনী, ইএটিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মুবিন খান প্রমুখ।