banner

শেষ আপডেট ২০ মে ২০১৯,  ২১:৩০  ||   মঙ্গলবার, ২১ই মে ২০১৯ ইং, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের প্রশাসনযন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি–ফরহাদ হোসেন

প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের প্রশাসনযন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি–ফরহাদ হোসেন

৯ মার্চ ২০১৯ | ২০:৫৮ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের প্রশাসনযন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি–ফরহাদ হোসেন

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে নগরের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে ৩৪তম বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অন্যান্য সেক্টরের মতো খেলাধূলার মানোন্নয়নেও তিনি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। যার কারণে ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী পরিচিত। তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের প্রশাসনযন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি। তাদের কর্মব্যস্ত জীবনে প্রাণচাঞ্চল্যতা সৃষ্টির জন্য বিনোদন একান্ত প্রয়োজন। এ কারণেই সরকার বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সকল বিভাগের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করার জন্য এ বছর ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যা অন্য যে কোনো সরকারের তুলনায় বেশি।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের সন্তানদের নিয়ে বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে ফরহাদ হোসেন আরো বলেন, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের সন্তানদের মেধা ও মননের উৎকর্ষ সাধন করতে বিভাগীয় বার্ষিক এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে।

আশা করি, আজকের এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে অনেক ক্রীড়াবিদ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়ায় অংশ নিয়ে দেশের মান উজ্জ্বল করবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক সত্যব্রত সাহা বলেন, ছেলে-মেয়েদের ব্রয়লার মুরগি বানাবেন না। তাদের নিজ নিজ গুণ বিকশিত করার সুযোগ দিন।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা সাবজেক্ট আইনের ছাত্র বঙ্গবন্ধু যদি শুধু নিজের কথা ভাবতেন- তাহলে কী আমরা এই স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম? বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা, যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি যদি তার সংসার নিয়েই থাকতে চাইতেন- তাহলে কী আমরা এই নেতৃত্বে পেতাম?
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেন, আশির দশকে বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়। আজকে যে প্রতিযোগিতার আসর বসেছে এটি এ প্রতিযোগিতার ৩৪তম আসর। এর একটি ঐতিহ্য রয়েছে।

তিনি বলেন, একেকটি জেলা থেকে আমাদের কর্মচারী ও তাদের সন্তানরা অংশ নিয়ে জেলা থেকে প্রতিযোগিতা করতে করতে বিভাগীয় পর্যায়ে আসে। বিভাগীয় পর্যায় থেকে তারা যখন একটি সম্মান বা মর্যাদা নিয়ে ফিরে যায়- তখন পরের বছরের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করার অনুপ্রেরণা পায়। তাই এ প্রতিযোগিতা, খেলাধূলার এ ঐতিহ্য আমরা ধরে রাখতে চাই।

বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে একটি স্মারক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, স্থানীয় সরকারের পরিচালক দীপক চক্রবর্ত্তী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামীসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।