banner

শেষ আপডেট ১৬ নভেম্বর ২০১৯,  ২০:৪২  ||   রবিবার, ১৭ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

খুলশীতে “মমতা কুঞ্জ” নামের গেষ্ট হাউসের আঁড়ালে চলছে মাদক ও দেহব্যবসা

খুলশীতে “মমতা কুঞ্জ” নামের গেষ্ট হাউসের আঁড়ালে চলছে মাদক ও দেহব্যবসা

৫ মার্চ ২০১৯ | ২২:০০ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খুলশীতে “মমতা কুঞ্জ” নামের গেষ্ট হাউসের আঁড়ালে চলছে মাদক ও দেহব্যবসা
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম মহানগরীর অভিজাত খুলশী আবাসিক এলাকায় গেস্টহাউসের আঁড়ালে চলছে রমরমা মাদক ও দেহ ব্যবসা। সিএমপি’র সাড়াশি অভিযানে চট্টগ্রামের অধিকাংশ হোটেল-মোটেলের অসামাজিক কর্মকান্ড বদ্ধ থাকলেও, এ অভিজাত এলাকায় কিছুতেই বন্ধ করা যাচ্ছে না এইসব অসামাজিক কর্মকান্ড। স্থানীয়রা বিভিন্ন সময়ে খুলশী থানা কিংবা নগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও রহস্যজনক কারণে এর কোন মনিটরিং নেই। ফলে এ ঘটনায় ত্যক্ত-বিরক্ত এলাকাবাসী।
অভিযোগ রয়েছে, এর মূল কারণ অভিজাত এলাকায় অভিজাত গেস্ট হাউসের আঁড়ালে কিছু অভিজাত ব্যক্তিরা অসামাজিক কাজ ও মাদকের আসর বসাচ্ছে। আর নগর গোয়েন্দা পুলিশের নামে স্ব-ঘোষিত ক্যাশিয়ার ও থানা পুলিশ সেখান থেকে মাসোহারা আদায় করে লোকচক্ষুর আঁড়ালে রেখেছে এ ধরনের অপতৎপরতা।
খুলশী থানার পশ্চিম পাশে হাবিব লেইনে ইন্ডিয়ান হাইকমিশনের ভিসা সেন্টারের পাশের গলি “মমতা কুঞ্জ “নামের ৫ তলা ভবনে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদেই চলে আসছে মাদক ও দেহ ব্যবসা। হাত বাড়ালেই এ গেষ্ট হাউসে সহজেই পাওয়া যায় দেহপসারনি,ইয়াবা কিংবা দেশি-বিদেশি দামি মদের বোতল। এই গেষ্ট হাউসের ৫ তলা ভবনের নিচতলায় অফিস ও কিচেন এবং দুই থেকে পাঁচ তলায় বিভিন্ন রুমে চলে দেহ ব্যবসা ও মাদকের আসর। সারাদিন এ ব্যবসা চলে। তবে সন্ধ্যার পর থেকে খদ্দেরদের আনাগোনা বেড়ে যায়। এ গেষ্ট হাউসে অভিযান চালালেই নীচ তলায় পাওয়া যাবে দেশী-বিদেশী মদের বোতল ও বিভিন্ন স্থানে গোপনে রাখা ইয়াবা। এ ছাড়া এ গেষ্ট হাউসে প্রতিদিন ১৫/২০ জন মহিলা রাখা হয় দেহ ব্যবসার জন্যে। ক্রমেই বাড়তে থাকা দেহ ব্যবসার কারণে ঐ এলাকার আবাসিকে বসবাসরত লোকজন ইমেজ সংকটে পড়েছে।
“মমতা কুঞ্জ ” নামের এ গেষ্ট হাউসের গডফাদার জনৈক আলম,প্রকাশ সিডি আলম,প্রকাশ হকার আলম।খুলশীতে গেস্ট হাউস ভিত্তিক অনৈতিক এ ব্যবসায় বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে এই সিডি আলম। তার বাড়ী চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়। দেহব্যবসা ও ইয়াবা ব্যবসায় সে এখন রাতারাতি কোটিপতি। এই সিডি আলম এক সময়ে লালদিঘী পাড়ে গাড়ী ধোয়া-মুছার কাজ করতো। পরবর্তীতে রাস্তায় ভিডিও সিডি বিক্রির হকারী করতো। আর সেই থেকে তার নাম হয় সিডি আলম/হকার আলম।
এই সিডি আলম বিভিন্ন মহলে নগর গোয়েন্দা বিভাগের জনৈক উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে তার সম্পর্ক ও উঠা-বসা আছে দাবী করে বলে জানা গেছে। এ কারণে “মমতা কুঞ্জ”এর বাড়ীর মালিক সহ কেউ তার এ অনৈতিক ব্যবসার বিরুদ্ধাচারন করলে তাদের সে পুলিশী হয়রানী ও  হামলা-মামলার ভয় দেখায়। এ সব অভিযোগের ব্যাপারে তার মতামত জানার জন্যে তাকে বারংবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।