banner

শেষ আপডেট ২০ মে ২০১৯,  ২১:৩০  ||   মঙ্গলবার, ২১ই মে ২০১৯ ইং, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

কবি ইউসুফ জাফর-এর ‘বিকেলে চৈত্রের খররোদ…’এর মোড়ক উন্মোচন

কবি ইউসুফ জাফর-এর ‘বিকেলে চৈত্রের খররোদ…’এর মোড়ক উন্মোচন

৩ মার্চ ২০১৯ | ২১:২৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • কবি ইউসুফ জাফর-এর ‘বিকেলে চৈত্রের খররোদ…’এর মোড়ক উন্মোচন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও অমর একুশে বইমেলা’র প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, সাহিত্যচর্চা তথা সৃজনশীল কর্মযজ্ঞের সাথে জড়িতরা বিনয়ী হন এবং সমাজের-দেশের জন্য কিছু একটা করার মানসিকতা সবসময় লালন করেন। সমাজের শুদ্ধতার জন্য সাহিত্যচর্চা অপরিহার্য একটি বিষয়। সমাজে সাহিত্য চর্চার মতো সৃজনশীল কাজ যত বেশি হয়, সমাজ তত বেশি মানসিকভাবে সমৃদ্ধশালী ও শুদ্ধ হয়।
গবেষক, লেখক ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর এ.ওয়াই.এমডি জাফর (কবি ইউসুফ জাফর)-এর কাব্যগ্রন্থ ‘বিকেলে চৈত্রের খররোদ…’এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে মেয়র প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা সংস্থা শব্দাঞ্জলি’র সম্পাদনা উপদেষ্টা লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির সভাপতিত্বে গতকাল ২ মার্চ বইমেলা মঞ্চে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সম্পাদক, দৈনিক জাগরণ সাংবাদিক আবেদ খান, শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রফেসর হাছিনা জাকারিয়া বেলা ইসলাম, বইমেলা উদ্যাপন পরিষদের আহ্বায়ক নাজমুল হক ডিউক, কলম সাহিত্য সংসদ লন্ডন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম হাবিবী। কবি ইউসুফ জাফর তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে শওকত বাঙালি বলেন, ১৯৬৭-৬৮ সনে কবি ইউসুফ জাফরের সাহিত্যে পদচারণা শুরু। ’৬৯-এর গণঅভুত্থান, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের নানা সময়কে তিনি কবিতায় ধারণ করার চেষ্টা করেছেন। সাহিত্যানুরাগী মননে ছিলো তাঁর রাজনীতির সচেতনতাও। সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি সব ছাপিয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তপ্রাণও এ প্রতিথযশা সাহিত্যিক।
জীবনভর ছাত্রদের পাঠদানের জন্য অঢেল সময় ব্যয়ের পাশাপাশি সাহিত্য চর্চায় নিবদ্ধ ছিলেন সময়ের তালে।
সাহিত্য সাধনায় নিবেদিত মানুষটি দীর্ঘদিন চর্চায় থেকেও কাব্যগ্রন্থ প্রকাশে কেন জানি অনাগ্রহী ছিলেন! প্রথমবারের মতো কাব্যলক্ষ্মীকে মলাট বন্দীতে মত দিলেন এই কলম যোদ্ধা।