banner

শেষ আপডেট ২০ অক্টোবর ২০১৯,  ২১:১৬  ||   রবিবার, ২০ই অক্টোবর ২০১৯ ইং, ৫ কার্তিক ১৪২৬

শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনঃ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় গানের ঝর্না ধারা

শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনঃ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় গানের ঝর্না ধারা

২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ | ২০:৩১ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপনঃ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় গানের ঝর্না ধারা

শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন ও চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা প্রদান উপলক্ষ্যে একাডেমির অনিরুদ্ধ মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। গত মঙ্গলবার রাত আটটায় ওই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সকলে কয়েক ঘন্টা ডুবে গেলো গানের ঝর্না ধারায়। একাডেমীর সদস্য/সদস্যা ও অন্যান্যদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে পুরো অনুষ্ঠান। দেখতে দেখতে মঞ্চের সামনের খালি চেয়ারগুলো ভরে গেল। অনুষ্ঠান সূচিত হল জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। পরবর্তী পর্যায়ে উপস্থাপিত হল একের পর এক বেতার ও টেলিভিশনসহ অন্যান্য শিল্পীদের পরিবেশনা।
এর আগে শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জন্য ১০ জন গুণী শিল্পীকে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’ দেয়া হয়েছে। ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’ ২০১৭ প্রাপ্ত ব্যক্তিত্বরা হলেন- কন্ঠসঙ্গীতে মৃণাল ভট্টাচার্য্য, নৃত্যকলায় মানসী দাশ তালুকদার, যন্ত্রসঙ্গীতে বাবুল জলদাস, লোকসংস্কৃতিতে মুহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী ও নাট্যকলায় রবিউল আলম। সম্মাননা ২০১৮ প্রাপ্ত ব্যক্তিত্বরা হলেন- কন্ঠসঙ্গীতে অশোক সেনগুপ্ত, চারুকলায় অলক রায়, নাট্যকলায় অলোক কুমার ঘোষ পিন্টু, ফটোগ্রাফিতে শোয়েব ফারুকী ও আবৃত্তিতে ইন্দিরা চৌধুরী।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু হাসান সিদ্দিকীর (শিক্ষা ও আইসিটি) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। মূখ্য আলোচক ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য ভাষাবিদ ও গবেষক ড. মাহবুবুল হক।
মেয়র বলেন, সংস্কৃতিবান্ধব এই সরকার সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপশি বিভিন্ন গুণীজনদেরকেও সম্মাননা জানানোর সংস্কৃতি চালু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক প্রতি বছর জেলা পর্যায়ে শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’ প্রদান সরকারের সেই কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে অনন্য উদ্যোগ। তিনি বলেন, এ নগরে যে পরিমাণ মানুষ বসবাস করে তাদের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য নাট্যাঙ্গন অপ্রতুল। প্রয়াত মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী থিয়েটার ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। গত কিছুদিন আগে সে থিয়েটার ইনস্টিটিউটকে যুগোপযোগী করে বাস্তবায়ন করেছি। এক্ষেত্রে ভারতীয় দূতাবাস-চট্টগ্রাম আমাদের সহযোগিতা করেছে। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে সেটি উদ্বোধন করা হবে। আউটার স্টেডিয়ামের পাশে একটি মুক্তমঞ্চ করা হবে। সম্মাননা হিসেবে প্রত্যেককে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃক সনদ, নগদ ১০ হাজার টাকা, উত্তরীয় ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের পর মেয়র অতিথিদের সাথে শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা শাখার শিক্ষার্থীদের চিত্রকর্ম নিয়ে বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন।