banner

শেষ আপডেট ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯,  ২১:৩৮  ||   মঙ্গলবার, ১৯ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ইং, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫

“কওমি শিক্ষার্থীদের জাতির মূল শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক”– নদভী

“কওমি শিক্ষার্থীদের জাতির মূল শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক”– নদভী

৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ | ২৩:৪৯ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • “কওমি শিক্ষার্থীদের জাতির মূল শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক”– নদভী

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামিক স্কলার প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, কওমি শিক্ষার্থীদের জাতির মূল শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। সরকার কওমী শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর তাকমিল (দাওরাহ) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান করে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে,যা অতীতের কোনো সরকারই পারেনি।আজ ৮ ফেব্রুয়ারি  শুক্রবার সকাল ১১টায় পটিয়া আল জামিয়া ইসলামিয়ার বার্ষিক মাহফিলে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন।

শুধু তাই নয়; কওমি মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের সব সুবিধা-অসুবিধা এবং আগামী দিনে করণীয় নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা ভাবছে এই সরকার, যাতে তারাও জাতির মূল শক্তি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে সুন্দর করতে পারে।

ড.আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, উপমহাদেশে ইসলামের প্রচার প্রসারে কওমী মাদ্রাসা সমূহের ভূমিকা অপরিসীম। ভারতের উত্তর প্রদেশে ঊনিশ শতকের শুরুতে প্রতিষ্ঠিত দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার অনুকরণে বাংলাদেশে কওমী শিক্ষা ব্যবস্থার প্রচলন হয়। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পূর্ব পুরুষরা ছিলেন দেওবন্দ তথা কওমী ভাবাদর্শে বিশ্বাসী।

রাজধানীর বুকে কাকরাইলে তাবলীগ মসজিদের উন্নয়ন একং বিশ্ব ইজতেমার জন্য টঙ্গির বিশাল মাঠ বরাদ্দ বঙ্গবন্ধুরই অবদান। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমী সনদকে সরকারী স্বীকৃতি প্রদানের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রচলিত দুই ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে আলিয়া ধারার মাদ্রাসা সমূহের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি চাকরীতে প্রবেশাধিকারসহ সকল সুযোগ সুবিধা থাকলেও কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীগণ সকল সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল এতদিন।

বর্তমান সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন সরকারি চাকরীসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত দেশের কওমী শিক্ষার্থীগণ যোগ্যতা ও মেধা অনুযায়ী সকল সরকারি চাকরীতে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হল।

তিনি বলেন, সরকারের এই স্বীকৃতির ফলে কোনভাবেই কওমি মাদ্রাসা সমূহ তার স্বকীয়া হারাবেনা। দেওবন্দের আটটি নীতিমালা অক্ষুণ্ণ রেখেই সরকার কওমি মাদ্রাসার সনদকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

পটিয়া আল জামিয়া ইসলামিয়ার মহাপরিচালক ও কওমী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সেক্রেটারি জেনারেল আল্লামা মুফতি আব্দুল হালীম বুখারীর সভাপতিত্বে মাহফিলে বিশিষ্ট ওলামা মাশায়েখ উপস্থিত ছিলেন।।

বার্তা প্রেরক