banner

শেষ আপডেট ১৫ জুন ২০১৯,  ১৯:২৩  ||   রবিবার, ১৬ই জুন ২০১৯ ইং, ২ আষাঢ় ১৪২৬

নগরীতে ১০ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হচ্ছে অভিন্ন বইমেলা : থাকবে ১১০ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান

নগরীতে ১০ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হচ্ছে অভিন্ন বইমেলা : থাকবে ১১০ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান

৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ | ১৮:৪৫ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • নগরীতে ১০ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হচ্ছে অভিন্ন বইমেলা : থাকবে ১১০ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ  নগরীতে বিভিন্ন সংস্থা এবং সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগে এবার শুরু হতে যাচ্ছে বইমেলা। এবারের বইমেলাটি হবে চট্টগ্রামের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিসরের এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ মেলা চলবে চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে।

উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বইমেলার আয়োজন করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। তবে এ মেলা বাস্তবায়নের উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে সম্মিলিতভাবে। অর্থাৎ চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রকাশনী, সাহিত্যিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং অন্যান্য শিল্প-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িতরাই সম্মিলিতভাবে এ মেলা বাস্তবায়ন করবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ অনন্য উদ্যোগটি বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের আন্তরিকতার কারণে। এদিকে আয়োজকদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, ইতোমধ্যে ১১০টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বইমেলায় স্টল বরাদ্দের আবেদন করেছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ৫৫টি এবং ঢাকার ৫৫টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া বইমেলাকে আকষর্ণীয় করতে নেয়া হয়েছে নানা পরিকল্পনা। শুরু থেকেই বইমেলাকে ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টিতে ১১ ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্র উৎসব, ১২ ফেব্রুয়ারি নজরুল উৎসব, ১৩ ফেব্রুয়ারি বসন্ত উৎসব এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা উৎসব পালন করা হবে। এসব উৎসবে ইতোমধ্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বদের।
বইমেলা কমিটির আহ্বায়ক, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষা স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল হক ডিউক মানবকন্ঠকে বলেন, ‘ইতোমধ্যে নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। বলা যায়, অনেক আগে থেকেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এবারের বইমেলা হবে বিগত সময়ের তুলনায় ব্যতিক্রম।’
তিনি বলেন, চট্টগ্রামবাসীকে সত্যিকারের বইমেলা উপহার দিতে এবারের উদ্যোগকে স্থায়ী রূপ দেয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ‘প্রকাশকরা নিশ্চয়ই ব্যবসায়িক মানসিকতা থেকে আসবেন। এখন তাদের বই যদি বিক্রি না হয় সেক্ষেত্রে তারা তো আগামী বছর আসতে উৎসাহ পাবেন না। তাই যারা বইপ্রেমী আছেন তাদেরকে বই কিনতে হবে। সবার অংশগ্রহণ থাকলে একদিন এই বইমেলা অনেক বড় হবে।’