banner

শেষ আপডেট ২০ নভেম্বর ২০১৯,  ২০:৫৫  ||   বুধবার, ২০ই নভেম্বর ২০১৯ ইং, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

কথাসাহিত্যিক আবুল কাসেমের ‘মৌর্য’ উপন্যাসের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত

কথাসাহিত্যিক আবুল কাসেমের ‘মৌর্য’ উপন্যাসের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত

২৩ জানুয়ারী ২০১৯ | ২২:০৮ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • কথাসাহিত্যিক আবুল কাসেমের ‘মৌর্য’ উপন্যাসের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ বাংলা সাহিত্যে ইতিহাস-নির্ভর রচনার সংখ্যা খুব বেশি নয়। পাঠকপ্রিয়তার বিচারে এ সংখ্যা আরও কম। কথাসাহিত্যিক আবুল কাসেম এই দুরূহ ক্ষেত্রে বিচরণ করছেন স্বচ্ছন্দে; ইতিহাসআশ্রয়ী বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করছেন। তাঁর লেখা এই ধারার উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ক্যাপ্টেন কক্স, অজেয়, সরহপা, অতীশ ইত্যাদি। এবার তিনি লিখেছেন ‘মৌর্য’।
প্রথম মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত গ্রিক সম্রাট সেলুকাসের কন্যাকে বিয়ে করেছিলেন। এ বিয়ের সঙ্গে ইতিহাস এবং প্রেম দুই-ই যুক্ত রয়েছে। যেহেতু কোনো ভারতীয়ের সঙ্গে কন্যার বিয়ে দেবেন না সেলুকাস, সেহেতু প্রথমে ঘরের শত্রু নন্দরাজ এবং পরে বাইরের শত্রু সেলুকাসকে যুদ্ধে পরাজিত করেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত। পরাজয়ের পর সেলুকাসের সঙ্গে চন্দ্রগুপ্তের একটি সন্ধিচুক্তি হয়। তাতে সেলুকাসের কন্যা কর্নেলিয়ার সঙ্গে চন্দ্রগুপ্তের বিয়ে, চন্দ্রগুপ্তের সেলুকাসকে পাঁচ শ’ যুদ্ধহস্তি প্রদান এবং দখলকৃত ভারতীয় এলাকাসমূহ মৌর্যদের হাতে তুলে দেওয়ার শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। সেলুকাস নিরুপায় হয়ে শর্ত মেনে নেন। ধ্রুপদী উপন্যাস ‘মৌর্য’তে ইতিহাসের সংশ্লেষ এটুকুই। এতে আছে বহু ঘটনা, নানা গল্প আর চমৎকার একটি কাহিনি। আছে বেশ কটি বৃহৎ চরিত্রের উপস্থাপনা। যেমন চন্দ্রগুপ্ত, সেলুকাস, কর্নেলিয়া (হেলেন), মেগাস্থিনিস, চাণক্য, আচার্য ভদ্রবাহু…। তারা রাজনীতি, প্রেম, কূটনীতি, কূটকৌশল এবং আধ্যাত্মিক শক্তির এমনসব বাস্তব এবং মানবীয় চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেন যা সর্বকালের রাষ্ট্র এবং সমাজের মধ্যেই বিদ্যমান। প্রায় দুই হাজার তিন শ’ বছর আগের কাহিনি নিয়ে লেখা এ উপন্যাসে সে-সময় ও লেখকের বর্তমানকালের দৃষ্টিভঙ্গির মেলবন্ধন পাঠককে আকর্ষণ করবে। সমৃদ্ধ প্রাচীন ভারত ও প্রাচীন গ্রীসকে একসঙ্গে পাওয়া যাবে বৃহৎ কলেবরের এ উপন্যাসে।
‘মৌর্য’ উপন্যাসটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৩ জানুয়ারি বুধবার, বিকেলে শাহবাগস্থ জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।

সভাপতিত্ব করেন জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। গ্রন্থ বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, শিক্ষাবিদ-কথাশিল্পী অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ঘোষ।