banner

শেষ আপডেট ২০ অগাস্ট ২০১৯,  ২১:৩৬  ||   বুধবার, ২১ই আগষ্ট ২০১৯ ইং, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

আওয়ামী লীগ গত ১০ বছরে দেশের চেহারা বদলে দিয়েছে– তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ গত ১০ বছরে দেশের চেহারা বদলে দিয়েছে– তথ্যমন্ত্রী

১৫ জানুয়ারী ২০১৯ | ২১:৩০ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আওয়ামী লীগ গত ১০ বছরে দেশের চেহারা বদলে দিয়েছে– তথ্যমন্ত্রী

 

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, অনলাইন গণমাধ্যম হচ্ছে আজকের বাস্তবতা। সমগ্র পৃথিবীতে এর ব্যাপক স্থিতি ঘটেছে। অনলাইন পেট্টালগুলোর নিবন্ধন প্রয়োজন। অনলাইন টেলিভিশনগুলোকেও অনুমোদন নিতে হবে। তখন আর প্রশ্ন উঠবেনা অনলাইন গণমাধ্যম নিয়ে। ভূঁইফোড় অনলাইন তখন আর থাকবেনা।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ মন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার পর এই প্রথম চট্টগ্রামে এসে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

তিনি বলেন, অনলাইন টেলিভিশনেরও অনুমতির জন্য নিয়মনীতি মেনে চালু করতে হবে। সাংবাদিকদেরও দাবি-দাওয়া আছে, তা নিয়ে সকলের মতামতের ভিক্তিতে কাজ করবো। যত দ্রুত সম্ভব নবম ওয়েজ বোর্ড বিষয়ে কাজ করব। বর্তমান যে ওয়েজ বোর্ড সেখানে টেলিভিশন নেই, তা অন্তর্ভুক্ত করব। ঘোষণা দিয়ে কেউ বাস্তবায়ন না করলে তাদের ধরা হবে। নবম ওয়েজ বোর্ড শীঘ্রই বাস্তবায়ন করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন, নগর আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দীন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালাম, দক্ষিণ জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, মীরসরাই উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দীন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, রাউজান পৌরসভার সাবেক মেয়র দেবাশিষ পালিত, মশিউর রহমান, ডা. শেখ শফিউল আজম, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামী লীগ গত ১০ বছরের দেশের চেহারা বদলে দিয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ ও দিনবদলের স্বপ্ন নিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। এখন স্বপ্ন নয়, বাংলাদেশ আজ বাস্তবতায়। গ্রামের কৃষকও মাঠে বসে ক্ষেতের পোঁকার ছবি তুলে কৃষি কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়ে দিয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিচ্ছেন। আবার ভোলার মনপুরা থেকে সৌদি আরবে সন্তানের কাছে ফোন দিয়ে অল্প সময়েই টাকা পেয়ে যাচ্ছেন। বাস্তবতায় বাংলাদেশ এখন পৃথিবীর অন্যতম দরিদ্র দেশ নয়, মধ্যম আয়ের দেশ। এসবের পরিবর্তনের নেতৃত্বে রয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্ব। আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পেয়ে যাবে। এক সময় দেশের মানুষ যখন সাড়ে ৪ কোটি তখন খাদ্য ঘাটতি ছিল। এখন ১৭ কোটি মানুষের দেশে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ বাংলাদেশ । আমাদের দেশে আসতো পুরানো কাপড়, এখন নতুন কাপড় যাচ্ছে বিদেশে। এখন আমাদের স্বপ্ন গ্রাম হবে শহর। যে ছেলে গ্রামের মেঠোপথ দিয়ে হেঁটে শহরে গিয়েছে, কর্মের সন্ধানে বিদেশে পাড়ি দিয়েছে, তারা এসে চিনতে কষ্ট হবে, সেই চিরচেনা নিজের গ্রামটিকে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী ৫ বছরের জন্য যেই চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার বিধবা ভাতা, দুস্থ ভাতার পর এবার মাতৃত্বকালীন ভাতা চালু করেছে। যাহা কোনদিন আমরা ভাবিনি। এই ভাতা পশ্চিম ইউরোপের মাত্র ক’টি দেশে দিয়ে থাকে।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, আমি চট্টগ্রাম শহরে লেখাপড়া করেছি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর চট্টগ্রামের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই দায়িত্ব নিয়েছেন। আমরা যেখানে যে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিতে দৃঢ প্রতিজ্ঞ, ইতোমেধ্যে চট্টগ্রাম টেলিভিশন ৬ ঘন্টার অনুষ্ঠানসূচী সম্পচার করেছে। এ বছরের মধ্যেই ১২ ঘন্টার অনুষ্ঠানসূচী করার ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং ঢাকার মত সারাদেশে অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য টেরিস্টোরিয়াল সুবিধা দেয়া হবে। চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ এবং স্যুয়ারেজ লাইনের কাজ করা হবে। এরই মধ্যে স্যুয়ারেজ প্রকল্পের অর্থ একনেকে অনুমোদন হয়েছে বলে তিনি জানান।